গায়িকা ইমন চক্রবর্তী বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার কেন্দ্রে রয়েছেন। সম্প্রতি তাঁর একটি গান অস্কার মনোনয়নের দৌড়ে ছিল বলে শোনা যায়। যদিও শেষমেশ এটি চূড়ান্ত মনোনয়নে পৌঁছাতে পারেনি, তবুও খবরটি তাঁর ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। ইমনের সঙ্গীত জগতে এই সাফল্য এবং তাঁর সংগ্রামের গল্প নতুন প্রজন্মের কাছে এক অনুপ্রেরণা।
ইমনের সঙ্গীত জীবনের শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। ছোটবেলা থেকেই তাঁর গানের প্রতি ভালোবাসা থাকলেও আর্থিক সীমাবদ্ধতা ছিল এক বড় প্রতিবন্ধকতা। পরিবারের সমর্থনেই তিনি সেই বাধা কাটিয়ে উঠেছিলেন। বাবার উৎসাহ এবং মায়ের সাহসিকতায় তিনি গান শেখা চালিয়ে যান। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে নিজের প্রতিভাকে প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করেন। ২০১৬ সালে তাঁর গাওয়া “তুমি যেখানে” গানটি জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার পর জীবনের মোড় ঘুরে যায়।
সম্প্রতি তাঁর একটি গান অস্কার মনোনয়নের গুঞ্জন সঙ্গীত জগতে আলোড়ন ফেলে। যদিও তা চূড়ান্ত পর্বে যায়নি, তবে এটি প্রমাণ করে যে ইমনের গান এখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে জায়গা করে নিতে সক্ষম। বাংলা গানের গুণমান এবং ইমনের নিরলস প্রচেষ্টা ভক্তদের নতুন করে অনুপ্রাণিত করেছে। এই ঘটনা ইমনের ক্যারিয়ারে আরও এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হয়ে থাকবে।
এরই মধ্যে দিদি নাম্বার ওয়ান-এর একটি পুরনো এপিসোডে ইমন ও তাঁর বাবার মিষ্টি মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে ইমন তাঁর সংগ্রামের গল্প এবং বাবার ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। বাবার সঙ্গে তাঁর খুনসুটি এবং মজাদার আলাপচারিতা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়। ইমনের জীবনে তাঁর বাবার অবদান এভাবেই এক গভীর প্রভাব ফেলেছে।
আরও পড়ুনঃ “একটা মানুষ একটা মানুষকে চুমু খাচ্ছে, সারা জীবন যেন ওঁরা এ ভাবে চুমু খেয়ে যেতে পারেন…” মেট্রো স্টেশনে চুমু বিতর্কে মুখ খুললেন কবীর সুমন
ইমন চক্রবর্তীর জীবন কেবল সাফল্যের গল্প নয়, এটি একটি সংগ্রামের কথাও বলে। বাবার সঙ্গে ভাইরাল হওয়া মুহূর্ত কিংবা অস্কার মনোনয়নের গুঞ্জন—সবকিছুই ইমনের অধ্যবসায় এবং প্রতিভার স্বীকৃতি। তাঁর এই যাত্রা প্রমাণ করে, স্বপ্ন পূরণ করতে সাহস এবং পরিশ্রমের বিকল্প নেই।






