আমি রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) কোম্পানির লোক। এই পরিচয়ে ফোন গেছিল পশ্চিমবঙ্গের শাসকদলের (TMC) এক নেতার কাছে। আর যার জেরে হাজতে যেতে হলো এক যুবককে।
ঘটনাটি কি?
সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গ যুব তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জির (Biswajit Chatterjee) কাছে একটি নামহীন ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্তে থাকা যুবক নিজেকে প্রশান্ত কিশোরের টিমের সদস্য বলে দাবি করে ডোনেশন চায়। এরপরই বিগত রবিবার ওই যুবককে কুলটির নিমতলা তৃণমূল কার্যালয়ে ডাকেন যুব তৃণমূল নেতা। নাম জানতে যুবক নিজের নাম জানায় মৃত্যুঞ্জয় সিং (Mrityunjoy Singh)। একই সঙ্গে ফের নিজেকে প্রশান্ত কিশোর টিমের সদস্য বলে পরিচয় দেয়। নানা রাজনৈতিক কর্মসূচির আয়োজনের কথা বলে ওই যুব নেতার থেকে টাকা চায়।
কিন্তু বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জির ওই যুবকের কথা অসংলগ্ন ঠেকে। আর এর পরই তৎপরতার সঙ্গে ওই যুবককে কুলটি থানার চৌরঙ্গী পুলিশ ফাঁড়ির হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর তৃণমূল নেতার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিস।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সামনেই একুশের মহাযজ্ঞ। আর তাই দিদিকে ফের পশ্চিমবঙ্গের মসনদে ফেরাবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে প্রশান্ত কিশোরের দলের লোকেরা। দলের ভেদাভেদ ভুলে একেবারে বাড়ির দোরগড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে টিম পিকে। কোথাও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তো কোথাও বা সিঁদ কেটে তৃণমূল শিবিরে নিয়ে আসা হচ্ছে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের। তৃণমূল স্তরে সংগঠন মজবুত করতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে পিকের টিম। তবে, ফোন করে চাঁদা তোলার মতো এমন কোনও অভিযোগ পিকে টিমের বিরুদ্ধে নেই। তবে এই ঘটনা একেবারেই বিরল। অভিযোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।






