পুজো মানেই বাঙালিদের কাছে যেন প্রেমের সময়। আর সেই প্রেম সাগরেই এবার ডুব দিচ্ছেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাদের প্রেমের কাছে বাকি সকলের প্রেম ফিকে। সদ্য প্রেমে পড়া তরুণ-তরুণীরাও তাদের কাছে হার মানবেন।
শোভন-বৈশাখীর প্রেমের চর্চা এখন সকলের মুখে মুখে। কখনও শোভনকে প্রদক্ষিণ করে বৈশাখীর ‘মম চিত্তে’ গানে ‘তা তা থৈ থৈ’ করা, তো আবার কখনও শাম্মি কাপুরের বিখ্যাত গানে শোভনকে প্রেম জানিয়ে গান। সব মুহূর্তই কিন্তু এখন নিমেষে ভাইরাল। বৈশাখী তো একরকম বলেই দিয়েছেন, “আমার চোখে তো সকলই শোভন”।
সম্প্রতি ফেসবুকে ফের ভাইরাল হয়েছে শোভন-বৈশাখীর আরও একটি ভিডিও। এখানে তাদের দেখা গেল ভিক্টোরিয়ার সামনে ঘোড়ার গাড়িতে চেপে প্রেমালাপ করতে। ভিক্টোরিয়া মানেই প্রেমের উপযুক্ত জায়গা। আর সেখানে এই কপোত-কপোতীকে দেখা যাবে না, তা আবার হয় নাকি! উল্লেখ্য, এক সংবাদ চ্যানেলের বিশেষ অনুষ্ঠান সূত্রেই ভিক্টোরিয়ার সামনে শ্যুটিং সারছিলেন তাঁরা।
তবে তাদের এই প্রেমরসে কিন্তু মজছে না নেটিজেনরা। নানানরকমের মিম ও ট্রোল হচ্ছে তাদের এই ভিডিও শুট ঘিরে। একজন জনৈক শোভন-বৈশাখীর এই ভিডিও নিজের ফেসবুকের দেওয়ালে শেয়ার করে লিখেছেন, “লোক হাসানোর একটা সীমা থাকা উচিত”। এই জুটির এই ভিডিওতে কেউ কমেন্ট করে লিখেছেন, “অশোভনী শোভন”। কেউ আবার লিখেছেন, “নাটকের একটা শেষ থাকা উচিত”। কেউ তো আবার সরাসরি লিখেই দিয়েছেন, “বুড়ো বয়সে ভীমরতি ধরেছে”।
বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় তো ভিক্টোরিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে সটান শোভন চট্টোপাধ্যায়কে প্রশ্নই করে বসলেন, “তোমার মধ্যে যে এতো রোম্যান্স তা তো বুঝিনি বাবা… বলতো সত্যি করে কলেজে পড়বার সময় কাকে নিয়ে ভিক্টোরিয়ায় প্রেম করতে আসতে”?
কখনও ভিক্টোরিয়া, আবার কখনও বা গড়ের মাঠ, কখনও আবার প্রিন্সেপ ঘাট- কলকাতার সমস্ত ‘লাভ-স্পট’-এ ঘুরে ঘুরে হাতে হাতে ধরে গান গাইতেও দেখা যাচ্ছে শোভন-বৈশাখীকে ওই সাক্ষাৎকারে। লোকে কী বলল না বলল, সেসব নিয়ে কোনও মাথাব্যাথা নেই এই লাভ বার্ডসের। তারা যেন সকলের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন, “কুছ তো লোগ কহেঙ্গে, লোগো কাম হেয় কেহনা”।






