গরু পাচার কাণ্ডে (cattle smuggling case) সিবিআইয়ের (CBI) পর এবার অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal) ইডিও গ্রেফতার করল। আজ, বৃহস্পতিবার তাঁকে সাড়ে ৫ ঘণ্টা ধরে জেরা করা হয়। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি (Enforcement Directorate)। আগামীকাল, শুক্রবার আদালতে পেশ করা হবে কেষ্টকে। তাঁকেও সায়গল হোসেনের মতো দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করা হবে কী না, তা নিয়ে জল্পনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
আজ, বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা থেকে সড়কপথে আসানসোলে রওনা দেন ইডি’র তদন্তকারীরা। সাড়ে ১১টা নাগাদ ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও প্রচুর নথি-সহ আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে ঢোকেন তিন তদন্তকারী আধিকারিক। তাঁদের সঙ্গে ছিল ভিডিওগ্রাফির যন্ত্রপাতি। বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির উৎস সম্পর্কে জানতে নানা প্রশ্ন করা হয় অনুব্রতকে।
ইতিমধ্যেই ইডি অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেন ও কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। গরু পাচার কাণ্ডে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক তথ্য মিলেছে। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই আজ অনুব্রতকে জেরা করে ইডি। লেনদেন কীভাবে চলত, এর সঙ্গে লটারির কোনও যোগ রয়েছে কী না, তা জানতে চাণ ইডি আধিকারিকরা। এদিন প্রায় সাড়ে ৫ঘণ্টার জেরার পর অনুব্রতকে গ্রেফতার করে ইডি।
বলে রাখি, গত ১১ই আগস্ট বোলপুরের নিচুপট্টির বাড়ি থেকে গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করে সিবিআই। এরপর থেকেই আদালতের নির্দেশে আসানসোলের সংশোধনাগারে রয়েছেন তিনি। একাধিকবার তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে নানান কারণে।
গত ১১ই নভেম্বর তাঁর মামলার শুনানি ছিল। কিন্তু এদিনও ফিরহাদ হাকিমের এক মন্তব্যের কারণ দর্শিয়ে খারিজ করা হয় অনুব্রতর জামিনের আবেদন। ফিরহাদ হাকিম অনুব্রতকে ‘বাঘ’ বলে সম্বোধন করে বলেছিলেন যে বাঘ খাঁচা থেকে বেরোলেই সব শিয়ালরা পালাবে। ইডি তাঁর এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই অনুব্রতর জামিন খারিজের আবেদন জানায়। যা মঞ্জুর করে আদালত। এবার কেষ্টকেও দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে কী না, সেদিকেই সকলে তাকিয়ে এখন।






