‘জনতার চাহিদা অনুযায়ী ছবি বানালে ঠিকই চলবে, বাংলা ছবির পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করতে হবে না’, ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান হাল সম্পর্কে চিরঞ্জিত

ভারতবর্ষের বেশিরভাগ মানুষের কাছে আজও স্পোর্টস মানেই ক্রিকেট কিংবা ফুটবল। তবে নবীন প্রজন্ম এই ভাবধারা ধীরে ধীরে পরিবর্তন করে দিচ্ছেন। সাঁতার, তিরন্দাজী, বক্সিং থেকে সাঁতার, দাবা খেলা এ সমস্ত তারা বারবার সেটা মনে করিয়ে দিচ্ছেন। তবে সিনেমার পর্দায় ক্রিকেট ফুটবল কাবাডি কিংবা বক্সিং এসবই দেখানো হয়ে এসেছে আজকাল। তবে এবার গ্র্যান্ড মাস্টারের সংগ্রাম কাহিনী নিয়ে পর্দায় ফুটে উঠবে বাংলা ছবি। নন্দিতা শিবপ্রসাদের উইন্ডোজ প্রযোজনা সংস্থা, পথিকৃৎ বসুর পরিচালনায় প্রকাশ্যে আসবে দাবাড়ু। এই সিনেমায় মুখ্য ভূমিকায় দেখা যাবে চিরঞ্জিত চক্রবর্তীকে (Chiranjit Chakroborty)

সদ্য প্রকাশ্যে এসেছে ‘দাবাড়ু’র ট্রেলার। ট্রেলার দেখেই শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়দের মতো দক্ষ পরিচালকরা। ছবিতে কোচের ভূমিকায় অভিনয় করবেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjit Chakroborty)। অভিনেতার মন্তব্য, “বিদেশে যখন খেলোয়াড় তৈরি হয়, তখন রাষ্ট্র তার পাশে দাঁড়ায়। আর এদেশে তৈরি হয়ে যাওয়ায় পর পাশে দাঁড়ায়।” ক্রীড়া দুনিয়ার মানুষেরা এতদিন যে কথা বলে এসেছেন সে কথাই তুলে ধরেছেন চিরঞ্জিত। এবার ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় চিরঞ্জিত চক্রবর্তী।

চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjit Chakroborty) যখন কাজ করতেন তখন সিনেমার ধারা এতটা প্রবাহিত হয়নি। গল্পে নতুন নতুন কোন সংযোজন আসেনি সে সময়ে। সে নিয়ে কি আফসোস রয়েছে অভিনেতার। চিরঞ্জিত চক্রবর্তী বলছেন, “এটা আফসোসের প্রশ্ন নয়। আমরা মাসের সঙ্গে তাদের মনের সঙ্গে ছবি করতে পেরেছি। আমরা কোটি কোটি টাকা ইন্ডাস্ট্রিকে এনে দিয়েছি আমার সময় আমি ২০ টা আর হাউস ওপেনিং করেছি। তখন ৭৫০ হাউস ছিল এখন সেটা হয়ে দাঁড়িয়েছে ৪০। এখন হাউজ বন্ধের সময়। এখনকার অনেক রকমের ছবি হয়। এখন অ্যাক্টর নিয়ে ছবি হয়, সুপারস্টার দিয়ে ছবি হয় না। সুপারস্টার না থাকলে এমনি চেহারা হবে। এখন মিক্স শেড একটা ব্যাপার আছে”। পথিকৃত বসুর সাথে কাজ করে কেমন লেগেছে, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, “ভালো কাজ করেছে, এই ছবিতে আরো দারুন কাজ করেছে।”

উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউসের এমন কিছু ছবি তৈরি করেছে,যাতে সকলে হইহই করে ছবিটি দেখছে।‌ এপ্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjit Chakroborty) বলেছেন, “মানসী সিনহার এটা আমাদের গল্প সিনেমাটি প্রিমিয়ারে দেখলাম, বেশ ভালো ছবি। যেটায় শিবু নন্দিতার গন্ধ পেলাম। শিবুর সাথে আমি আগেও কাজ করেছি।‌ এর আগে মুশকিল আসান বলে একটা কাজ করেছিলাম। যেহেতু ওর সাথে আমার ছবি হিট আছে, তাই ও আমাকে মানে। তাই ওর অন্য ছবি আমাকে দেখাতে নিয়ে আসে। আমিও মানি এরাই পারবে, আন্ডারস্ট্যান্ডিং অফ মাস ওরা বুঝে গেছে, এদের সাকসেসফুল ছবি হয় বেশি। এটাই আমাদের ইন্ডাস্ট্রির বাঁচার একমাত্র রাস্তা। শিবুরা প্রমাণ করছে ছবি ঠিক করতে পারলে, পাবলিক পাশে এসে দাঁড়াবে।”

আরও অন্যান্য খবর