তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। তাঁর দাবি, অনেক যোগ্য শিল্পী সুযোগ পাননি, আবার পরিচিতি বা অন্য কারণে অনেকেই সরকারি অনুষ্ঠান ও অনুদানের সুবিধা পেয়েছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন শুরু হয়েছে বলেই তাঁর দাবি। রুদ্রনীল বলেন, আরও ১৫ দিন থেকে এক মাস সময় দিলেই এই সমস্যার অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
রুদ্রনীলের অভিযোগ, অতীতে রাজনৈতিক স্বার্থে বহু শিল্পী, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতি জগতের পরিচিত মুখদের ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর কথায়, কেউ কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে এমন মঞ্চেও হাততালি দিয়েছেন, যেখানে শিল্পের মর্যাদা রক্ষা হয়নি। এতে শুধু শিল্পীদের নয়, তাঁদের শ্রদ্ধা করা সাধারণ মানুষেরও কষ্ট হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারি অনুদান প্রসঙ্গেও সরব হন অভিনেতা। তাঁর দাবি, বহু ক্ষেত্রে প্রকৃত শিল্পীদের বঞ্চিত করে ভুয়ো নাম বা অযোগ্য ব্যক্তিদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, একজন শিল্পীর জীবনে শুধু প্রতিভা থাকলেই হয় না, কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য আর্থিক নিরাপত্তাও জরুরি। সেই কারণেই যোগ্য শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
রুদ্রনীল আরও বলেন, অতীতের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের মতো সংস্কৃতি ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ ছিল। তাঁর দাবি, বর্তমানে যাঁরা এতদিন সুযোগ পাননি, তাঁরা নিজেদের সমস্যার কথা নতুন সরকারের কাছে তুলে ধরছেন এবং ন্যায্য বিচার পাবেন বলে আশাবাদী। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এখন বিষয়গুলি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও তিনি জানান।
আরও পড়ুনঃ আগে জানানো হয়নি, নেওয়াও হয়নি অনুমতি! সেটে পা রাখতেই জানতে পারেন বিকিনি পরে করতে হবে শুটিং! ছবিতে অভিনয়কে অস্বীকার করেন এই অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী! জানেন, তাঁকে রাজি করাতে কী করেছিলেন যশ চোপড়া?
অভিনেতার কথায়, পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি ও শিল্পের সঙ্গে মানুষের আবেগ গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে। তাই এই ক্ষেত্রকে আরও স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু করার চেষ্টা চলছে। তিনি জানান, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে নতুন আধিকারিকরাও যোগ দিচ্ছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী গোটা বিষয়টির উপর নজর রাখছেন। ফলে আগামী দিনে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলেই তাঁর বিশ্বাস।






