“আমার সুপারহিট ছবি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই তৈরি হয়েছিল ওই হিন্দি ছবি” দাবি টলি অভিনেত্রী শতাব্দী রায়ের! জানেন, কোন সেই ছবি যা ঝড় তুলেছিল সিনেমাপ্রেমীদের মনে?

শতাব্দী রায় শুধু বড় পর্দার নায়িকা নন, তিনি একজন সফল জননেত্রীও। তাপস পাল ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বহু হিট ছবি উপহার দেওয়ার পরও তিনি রাজনীতির পথে এগিয়ে যান। লোকসভায় দাঁড়িয়ে নিজের নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য নানা দাবি তুলেছেন। সিনেমার মধ্যে দিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পরও তিনি কখনো থেমে থাকেননি। তার সামাজিক মাধ্যমে তিনি প্রায়ই পুরনো ছবির পিছনের গল্প ও নানা চ্যালেঞ্জের কথা ভাগ করে নেন। সম্প্রতি তিনি ভক্তদের জানান, কিভাবে ছোট বয়সে নানা প্রতিবন্ধকতা পেরোতে হয়েছে।

তারকা হওয়ার শুরুটা সহজ ছিল না। তরুণ মজুমদারের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ প্রথমে মেলেনি। তবে হতাশ হয়নি শতাব্দী রায়। খুব শীঘ্রই তিনি ‘আপন আমার আপন’ ছবিতে কাজের জন্য ডাক পান। ছবির গল্প শুনে তিনি খুবই আনন্দিত হন। তবে তার বিপরীতে কে নায়ক হবে, তা জিজ্ঞেস করার সাহস তখন ছিল না। তিনি ভয়ে ভয়ে পরিচালক তরুণ মজুমদারের অফিস থেকে বের হয়ে সহযোগী ধ্রুবের কাছে জানতে চাইলেন।

সহযোগী ধ্রুব তাকে জানায় যে গল্প অনুযায়ী তার বিপরীতে দুইজন অভিনেতা অভিনয় করছেন। এই খবর পেয়ে শতাব্দী রায় খুশিতে লাফিয়ে ওঠেন। সেই ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা তার জন্য বড়ো একটা শিক্ষা ও আনন্দের মুহূর্ত হয়ে থাকে। ছবি মুক্তির পর বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য আসে। দর্শকরা ছবিটি খুব পছন্দ করেন এবং শতাব্দী রায়ের অভিনয়কে প্রশংসা করেন।

আরও বিশেষ বিষয় হলো, সেই ছবির গল্পের প্রেরণায় নয়া হিন্দি ছবি তৈরি হয়। ১৯৯১ সালে মুক্তি পায় সুপারহিট হিন্দি ছবি ‘সাজন’, যেখানে অভিনয় করেছেন সলমন খান, মাধুরী দীক্ষিত ও সঞ্জয় দত্ত। ছবির গানও আজও দর্শকদের প্রিয়। শতাব্দী রায় জানান, সে সময় তিনি অনেক ছবি করেছেন, কিন্তু তরুণ মজুমদারের মতো পরিচালকের কাছে সরাসরি প্রশ্ন করার সাহস তখন ছিল না। তাই সহযোগীর মাধ্যমে খবর পেয়ে গর্ব অনুভব করেছিলেন।

আরও পড়ুনঃ বন্যা ত্রাণের ২.৫ কোটি টাকা দুর্নীতি! ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-র মঞ্চে বিজয়ী সরকারি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার! কেলেঙ্কারিতে হাতছাড়া খেলায় জেতা অর্থও?

শতাব্দী রায়ের এই অভিজ্ঞতা দেখায়, কত বড়ো চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে একজন নায়িকা হয়ে ওঠেন সফল নেত্রী। তার সিনেমা জীবন থেকে রাজনৈতিক জীবন পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপেই কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্য দেখা যায়। ভক্তরা তার পুরনো সিনেমার গল্প ও নেপথ্যের কাহিনি জানতে আগ্রহী। তিনি সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত এই সব স্মৃতি ভাগ করে নেন। এর ফলে তার ফ্যান বেসও যুগে যুগে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

khabor24x72019

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর