বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তম কুমারের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এত বছর পরেও বাঙালির মনে তাঁর জনপ্রিয়তা অটুট। এই উপলক্ষে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে তাঁর আবক্ষমূর্তি ও স্মারকফলক উন্মোচন করা হয়। পাশাপাশি কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তেও মহানায়ককে স্মরণ করে একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি জগতের বহু পরিচিত মুখ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন রূপা গাঙ্গুলি, রুদ্রনীল ঘোষ, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, শতদীপ সাহা এবং উত্তম কুমারের নাতনি নবমিতা চ্যাটার্জি। বক্তব্যের শুরুতেই উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা ও সম্মান জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর তিনি মহানায়কের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাজ্য সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, উত্তম কুমারের নামে একটি আধুনিক ফিল্ম সেন্টার গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী উত্তম মঞ্চের সংস্কার ও আধুনিকীকরণের কাজও করা হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু স্মৃতি সংরক্ষণ নয়, আগামী প্রজন্মের কাছেও মহানায়কের অবদানকে আরও পরিচিত করে তোলা।
এছাড়াও জানানো হয়, আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে বিশেষ অনুষ্ঠান হবে। তার আগে নন্দন বা রবীন্দ্রসদনে একটি প্রস্তুতি কমিটি গঠন করে বৈঠক করা হবে। চার দিনের এই কর্মসূচিতে মহানায়কের জীবন, অভিনয়জীবন এবং বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর অবদান নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে।
আরও পড়ুনঃ ছাত্র আ*ন্দোলনের আড়ালে কি পাকিস্তানের বড় কোনও উ*সকানির ছক? যন্তর মন্তরের বিক্ষো*ভ ঘিরে দিল্লি পুলিশের বিস্ফো*রক দাবি, ভারতের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে অশা*ন্ত করতেই কি সক্রিয় বিদেশি শক্তি?
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, উত্তম কুমারকে ঘিরে রাজ্য সরকারের প্রতিটি উদ্যোগ তাঁর পরিবারের সঙ্গে আলোচনা ও সম্মতি নিয়েই বাস্তবায়ন করা হবে। অনুষ্ঠানের পাশাপাশি তিনি মহানায়কের ভবানীপুরের বাড়িতেও গিয়ে শ্রদ্ধা জানান। রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ বাংলা সিনেমার ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের সামনে আরও সুসংগঠিতভাবে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।






