কোভিড-১৯ ড্রপলেটের মাধ্যমে ছড়ায়। করোনা বাজারে আসার পর থেকেই ধারনাই ছিল সবার মনে। তবে এবার জানা গেছে শুধুমাত্র ড্রপলেট নয়। বাতাসেও ছড়ায় করোনা। আর সেই কাজে তাকে বিশেষ সহায়তা করে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা এসি।
বিজ্ঞানীদের মত, যে ড্রপলেটের এক মিটারের মধ্যে লুটিয়ে পড়ার কথা, এয়ার কন্ডিশনের বায়ুর প্রবাহ সেগুলোকে অনেকটা বেশি দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে পারে। এছাড়াও একটি বদ্ধ ঘরে যদি এসে চলে এবং সেখানে যদি উপসর্গ হীন করোনা রোগী উপস্থিত থাকেন তাহলে তার নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের মাধ্যমেই ঘরের মধ্যে ঘুরপাক খাবে। এর ফলে উপস্থিত বাদবাকিরা করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হতে পারেন। তাই বদ্ধ ঘরের থেকে খোলা ঘরে থাকতে বলছেন চিকিৎসকরা।
এই অবস্থায় কি কি করনীয় দেখে নেওয়া যাক-
• প্রথমেই এসি-র ব্যবহার বন্ধ করুন।
• সেন্ট্রাল এসি আছে, এমন জায়গা থেকে কোভিড-১৯-এর রোগীদের একটু দূরে রাখাই ভাল।
• সেন্ট্রাল এসি আছে এমন হাসপাতালে প্রতি দু’জন রোগীর মধ্যে দূরত্ব আরও একটু বাড়ানোর কথা ভাবা উচিৎ।
• এসি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার সময় এসি-র ব্লোয়ার থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন।
• একান্তই এসি চালাতে হলে অবশ্যই সার্ভিসিং করে তবেই এসি চালান।
• এসি চালালেও দিনের কোনও একটা সময় অন্তত জানালা দরজা খুলে দিন। সরিয়ে দিন পর্দা। ঘরে সূর্যের আলো আসতে দিন। ক্রস ভেন্টিলেশন হোক ঘরের মধ্যে।






