তার সরকারের বিরুদ্ধে বারংবার উঠছে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ। এই অভিযোগের মধ্যেই আজ পাকিস্তানে হিন্দু নাগরিকদের দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানালেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। আজ টুইট করে তিনি লেখেন, “আমাদের সমস্ত হিন্দু নাগরিককে দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানাই।”
সম্প্রতি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন অভিযোগ জানিয়েছেন যে পাকিস্তানের সংখ্যালঘু নিপীড়ন করা হয়। বর্তমানে সরকারি হিসাব অনুযায়ী পাকিস্তানের প্রায় ৭৫ লক্ষ হিন্দু বাস করেন কিন্তু বেসরকারি মতে এই সংখ্যাটা প্রায় ৯০ লক্ষ। হিন্দুদের মধ্যে অধিকাংশই বসবাস করেন সিন্ধ প্রদেশে।
পাকিস্তানের চ্যানেল জিও টিভির খবর অনুযায়ী জানা যাচ্ছে যে সে দেশের হিন্দু সম্প্রদায় ইতিমধ্যেই নিজেদের বাড়ি ও মন্দির আলোয় সাজিয়ে ফেলেছেন। এছাড়াও মন্দিরে বিশেষ পুজো এবং তারপরে প্রসাদ বিতরণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশের যেখানে হিন্দুরা রয়েছেন সেখানেই উৎসবের আয়োজন হচ্ছে।
তবে পাকিস্তানে মুসলিম ছাড়া অন্যান্য সম্প্রদায়ের অবস্থা বেশ করুণ। শুধুমাত্র হিন্দু নয় এখানে শিখ এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষদের হত্যা, ধর্ষণ এবং জোর করে ধর্মান্তকরণের ঘটনা ঘটেই চলেছে।
তবে আতঙ্কের বিষয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে যারা সংখ্যালঘু ইসলামিক গোষ্ঠী যেমন আহমদিয়া-হাজারা, এই গোষ্ঠীগুলোকেও কিন্তু নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।
বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এই কথাটি উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এছাড়াও কিছুদিন আগে পাকিস্তানের তীব্র সমালোচনা করেছে জেনেভার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ইউএন ওয়াচ’ও। তারা পাকিস্তানকে আর কোনভাবেই রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদের সদস্য হিসাবে মেনে নিতে রাজি নয়।






