Durgapur r*ape : দুর্গাপুর ধর্ষ*ণকাণ্ডে নয়া মোড়! গণধর্ষণ নয়, একমাত্র সহপাঠীই ধর্ষক!

দুর্গাপুরে মেডিক্যাল ছাত্রীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ঘটনা পুরো রাজ্যকে স্তম্ভিত করেছে। প্রথম দিকে অভিযোগ উঠেছিল যে এটি গণধর্ষণ, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছিল। তবে পুলিশ সূত্রে পাওয়া গোপন জবানবন্দি ও পুনর্নির্মাণের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার প্রকৃত চিত্র কিছুটা ভিন্ন।

পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার চৌধুরী জানিয়েছেন, “পাঁচজন অভিযুক্তের মধ্যে, নির্যাতিতার বন্ধু ছাড়া বাকি পাঁচজনের উপস্থিতি প্লেস অফ অকারেন্সে প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু ধর্ষণকারী একজনই।” ঘটনার রাতে নির্যাতিতাকে নির্জন রাস্তা দিয়ে জঙ্গলের ভিতর নেওয়া হয় এবং সেখানে তিন দুষ্কৃতী ঘিরে ধরেছিল। তার সহপাঠী নির্দিষ্ট সময়ে ঘটনাস্থল থেকে বের হয়ে যায়। পুলিশ এখন তার ভূমিকার বিস্তারিত খতিয়ে দেখছে।

সোমবার ডিসিপি অভিষেক গুপ্তার নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম দুর্গাপুর মেডিক্যাল কলেজে ঘটনাস্থল খোতিয়ে দেখে। নির্যাতিতা ও তার সহপাঠীকে আলাদা আলাদা করে প্রশ্ন করা হয়। হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার পথ, নির্জন রাস্তা এবং ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী এলাকাগুলো বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ঘটনার রাতের ধৃতদের পরনে থাকা পোশাকও উদ্ধার করা হয়েছে, যা ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রমাণ হিসেবে কাজ করছে।

মেডিক্যাল রিপোর্টে ধরা পড়েছে যৌনাঙ্গে ক্ষতচিহ্ন ও প্রবল রক্তপাত, যা ধর্ষণের ইঙ্গিত স্পষ্ট করে। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই গোপন জবানবন্দিতে নির্যাতিতা জানিয়েছে যে শুধুমাত্র একজনই তাকে ধর্ষণ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, সহপাঠীর ভূমিকা নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তার জামাকাপড়ও জব্দ করা হয়েছে। অভিযোগে তোলাবাজি, ছিনতাই এবং অন্যান্য ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ “সোনার বাংলা সোনার থাকুক, আমরা আর ফিরব না” — গ*ণধর্ষণের শিকার ডাক্তারি ছাত্রীর বাবার তোপের মুখে বাংলা! দাবি সিবিআই তদন্তের!

এই ঘটনার পর দুর্গাপুরের শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন এবং সামাজিক মাধ্যমে নিন্দার ঝড় চলছে। পুলিশ ও কলেজ কর্তৃপক্ষ ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, দ্রুত বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়। শহরজুড়ে এই ঘটনা একবারে আলোড়ন তুলেছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরেছে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর