21 july : “বাঙালি গর্বের প্রতীক, ওদের অসম্মান করা ঠিক নয়।”—২১ জুলাইয়ের মঞ্চে কেন্দ্রকে চ্যালেঞ্জ মমতার!

২১ জুলাই মানেই প্রতিবাদের ভাষা, আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ। প্রতিবছর এই দিনেই ধর্মতলার মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারে সেই মঞ্চেই বাংলা ভাষা ও বাঙালিয়ানার অস্তিত্ব রক্ষার সুর আরও তীব্র হল। রাজ্যবাসীর সামনে নতুন বার্তা, বাংলা ভাষার উপরে কোনও আঘাত বরদাস্ত করা হবে না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন, “আমরা দিল্লি পর্যন্ত যাব। বাংলা ভাষার অপমান করলে চুপ করে বসে থাকব না।” এর পরেই তিনি ঘোষণা করেন, আগামী ২৭ জুলাই থেকে রাজ্যজুড়ে ‘ভাষা আন্দোলন’-এ নামবে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে এ এক নতুন রাজনীতির ইঙ্গিত।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের বাংলাদেশি তকমা দিয়ে অসম্মান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনা ঘিরেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সুরে আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল। ধর্মতলার মঞ্চ থেকে তীব্র বার্তা দিয়েছেন মমতা—বাংলাভাষীদের অসম্মান করলে বাংলাও আর চুপ করে থাকবে না।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরের সভা থেকে বলেছিলেন, “বাঙালি গর্বের প্রতীক, ওদের অসম্মান করা ঠিক নয়।” কিন্তু তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, এই কথার সঙ্গে বাস্তবের কোনও মিল নেই। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতেই সবচেয়ে বেশি হেনস্থার মুখে পড়ছেন বাংলাভাষীরা। সেই প্রেক্ষিতেই ধর্মতলার সভা থেকে আরও আক্রমণাত্মক হলেন মমতা।

আরও পড়ুনঃ Indian couple arrested: ৩৩ কোটি টাকার ঠকবাজি! আমেরিকায় শতাধিককে ফাঁসিয়ে গ্রেফতার গ্ল্যামার কাপল সিদ্ধার্থ-সুনীতা!

শুধু বাংলার ভাষা আন্দোলন নয়, এর আড়ালে দিল্লির মসনদের দিকে চোখ তৃণমূলের—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে একপ্রকার গেরুয়া শিবিরকে চাপে রাখতেই এই কৌশল, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে বাংলা ভাষাকে ঘিরে আন্দোলনের আগুন ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ভোটের স্লোগানও বেঁধে দিলেন তৃণমূল নেত্রী।

Jui Nag

আমি জুই নাগ, পেশায় নিউজ কপি রাইটার, লেখালেখিই আমার প্যাশন। বিনোদন, পলিটিক্স ও সাম্প্রতিক খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরাই আমার লক্ষ্য। তথ্যভিত্তিক ও আকর্ষণীয় কনটেন্টের মাধ্যমে সঠিক সংবাদ পৌঁছে দিই।

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর