রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। বাইডেনের কথায়, রাশিয়ান মহাকাশ কর্মসূচিও নতুন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়বে। এরপরই পাল্টা আঘাত করল রাশিয়াও ।
রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা, রোসকোমোস-এর প্রধান দিমিত্রি রোগোজিন হুশিয়ারি শানিয়ে বলেন, “ওয়াশিংটন যদি সহযোগিতা বন্ধ করে, তাহলে মহাকাশ স্টেশনকে অনিয়ন্ত্রিত আবর্জনার হাত থেকে কে বাঁচাবে? কক্ষচ্যুত হয়ে তা ইউরোপ, আমেরিকার উপরে পড়তে পারে”।
САНКЦИИ АЛЬЦ-ГЕЙМЕРА
Байден заявил, что новые санкции коснутся российской космической программы. Ок. Остается выяснить детали:
1. Вы хотите перекрыть нам доступ к радиационностойкой микроэлектронике космического назначения? Так вы это уже сделали вполне официально в 2014 году.— ROGOZIN (@Rogozin) February 24, 2022
রোগজিন একাধিক টুইট বার্তায় বলেছেন, “আপনাদের প্রভাবশালীরা ব্যবসায়ীরা মহাকাশে আবর্জনা ছড়িয়ে রেখেছেন। সেই আবর্জনার ৫০০ টন ভারত এবং চীনের উপরও পড়তে পারে। সেই দায় কি আপনারা নিতে চাইবেন? আপনারা যদি আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা বন্ধ করেন, তাহলে অনিয়ন্ত্রিত ডিঅরবিটিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপে পতিত হওয়া থেকে কে রক্ষা করবে”?
আমেরিকার উদ্দেশ্যে ট্যুইট বার্তায় রোগজিন লেখেন, “ভারত এবং চীনের উপর ৫০০ টন আবর্জনা ফেলে দেওয়ার বিকল্পও রয়েছে। আপনারা কি তাদের এমন সম্ভাবনার মুখে পড়তে দিতে চান? আইএসএস রাশিয়ার উপর দিয়ে ওড়ে না, তাই সমস্ত ঝুঁকি আপনাদের। আপনারা কি এর জন্য প্রস্তুত”?
রাশিয়ার সামরিক আধুনিকীকরণের সম্ভাবনা এবং মহাকাশ কর্মসূচির অগ্রগতি হ্রাস করার লক্ষ্যে উচ্চ প্রযুক্তির আমদানি সীমিত করার আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার পটভূমিতে এই বিবৃতি করা হয়েছে। মহাকাশ অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে দুই দেশ কয়েক দশক ধরে সহযোগিতার জন্য পরিচিত। প্রসঙ্গত, বাইডেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “আমরা রাশিয়ার উচ্চ প্রযুক্তির আমদানির ক্ষেত্রে অর্ধেকেরও বেশি রদ করে ফেলব। এর ফলে তাদের সামরিক বাহিনীকে আধুনিকীকরণ করার ক্ষমতাও আঘাতপ্রাপ্ত হবে। এটি তাদের মহাকাশ কর্মসূচী সহ তাদের মহাকাশ পরিকল্পনাকে আঘাতপ্রাপ্ত করবে”।






