গান্ধী পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত তিনটি ট্রাস্টের বিরুদ্ধে এবার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার এই কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। আয়কর ফাঁকি। অনুদান সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন। এই দুই অভিযোগে অভিযুক্ত এই তিন ট্রাস্ট। যে তিনটি ট্রাস্টের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে, সেগুলি হল রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন, রাজীব গান্ধী চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।
তদন্তের কারণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিভিন্ন মন্ত্রকের প্রতিনিধিদের নিয়ে বানিয়েছে বিশেষ কমিটি। সেই কমিটির শীর্ষে রয়েছেন ডায়রেক্টর অব এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট।
এর আগেও বেশ কয়েকটি বড় ধরনের আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জড়িয়েছিলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর জামাই রবার্ট বঢরা। ২০০৯ সালে সুইজারল্যান্ডের পিলেটাস এয়ারক্রাফট লিমিটেড নামে এক সংস্থার থেকে ৭৫ টি বেসিক ট্রেনার বিমান কিনেছিল ভারত। অভিযোগ, এই বিমান কেনার সময় কিকব্যাক নিয়েছিলেন অস্ত্র ব্যবসায়ী সঞ্জয় ভাণ্ডারী। তিনি সনিয়া গান্ধীর জামাই রবার্ট বঢরার বন্ধু বলে পরিচিত।
রবার্টের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি লন্ডনের ১২ নম্বর ব্রায়ানস্টোন স্ট্রিটে একটি ম্যানসন কিনেছেন। তার দাম প্রায় ১৯ লক্ষ পাউন্ড। কালো টাকা দিয়ে তিনি ওই প্রাসাদটি কিনেছিলেন। এছাড়া হরিয়ানা ও রাজস্থানে তাঁর বিরুদ্ধে জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগ আছে। দিল্লি হাইকোর্টে ইডির কৌঁসুলি বলেছিলেন, রবার্টকে কাস্টডিতে নিয়ে জেরা করলে তবেই ‘মানি চেন’ সম্পর্কে জানা যাবে।
রবার্ট বঢরার পাশাপাশি তাঁর মা মৌরিন বঢরাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। অভিযোগ, রাজস্থানে জমি দুর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন তিনিও। যদিও গান্ধী পরিবারের তরফ থেকে বার বার বলা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য তাঁদের একের পর এক মামলায় জড়ানো হচ্ছে।






