TCS নাসিক কাণ্ডে নতুন মোড়, HR ম্যানেজার নিদা খান কি ‘মাস্টারমাইন্ড’? তদন্তে চাঞ্চল্যকর দাবি

টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (TCS)-এর নাসিকের BPO ইউনিট ঘিরে এবার বড়সড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে যেখানে কঠোর নিয়ম থাকার কথা, সেখানেই উঠেছে যৌন হেনস্থা ও ধর্মান্তকরণের মতো গুরুতর অভিযোগ। এই ঘটনা সামনে আসতেই কর্পোরেট দুনিয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে অভিযোগ এতদিন ধামাচাপা রইল কীভাবে? ধীরে ধীরে তদন্ত এগোতেই সামনে আসছে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

নির্যাতিতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই মুম্বই নাকা ও দেওলালি ক্যাম্প থানায় মোট ৯টি FIR দায়ের হয়েছে। অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা মানসিক ও শারীরিকভাবে হেনস্থার শিকার হচ্ছিলেন। শুধু যৌন হেনস্থা নয়, তাঁদের উপর ধর্মান্তকরণের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হত বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় একাধিক কর্মী ও টিমলিডদের নাম জড়িয়েছে।

এই মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল HR ম্যানেজার নিদা খানের ভূমিকা। কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং POSH নীতি কার্যকর রাখার দায়িত্ব ছিল তাঁর উপরই। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, কর্মীরা বারবার অভিযোগ জানালেও তিনি কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। বরং অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ চেপে যেতে চাপ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। এতে তাঁর ভূমিকা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।

তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন দিক সামনে আসছে। পুলিশ একটি স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT) গঠন করেছে, যারা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। কিছু সূত্রের দাবি, নিদা খান এই পুরো চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী বা ‘মাস্টারমাইন্ড’ হতে পারেন। যদিও এই দাবি এখনও প্রমাণিত হয়নি, তবুও তদন্তকারীরা তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন এবং সমস্ত তথ্য যাচাই করছেন।

আরও পড়ুনঃ কাজের ফাঁকেই প্রযোজকের প্রেমে পড়লেন মহিলা পরিচালক, স্বামীর কানেও পৌঁছেছে খবর! দম্পতির সংসারে অশান্তি ঘিরে টলিপাড়ায় তোলপাড়!

এদিকে সোশাল মিডিয়ায় আরও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, সহকর্মীদের একাংশ তাঁকে ‘লেডি ডন’ বলে ডাকতেন, যদিও এর সত্যতা নিশ্চিত নয়। কিছুদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকার পর পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তাঁর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারী দল। পুরো ঘটনার সত্য সামনে আনতেই এখন সব নজর তদন্তের উপর।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর