লকডাউন নিয়ে প্রশ্নবাণ পিকের, ‘গত ৪০ দিনে পরিস্থিতি খারাপই হয়েছে’

বিশ্বজোড়া বিশেষজ্ঞরা যেখানে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউনের পক্ষে সেখানে শুরু থেকেই দেশব্যাপী লকডাউনের বিপক্ষে ছিলেন রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোর। লকডাউনের ফলে সাধারণ মানুষকে যে বিপুল সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে, তা নিয়ে আওয়াজ তুলেছিলেন তিনি অনেক আগেই। তৃতীয় দফার লকডাউন চালু হতে সেই সুর আরও সুর চড়ালেন।

তৃনমূলের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকের সাফ কথা, শুধু লকডাউন করে করোনা প্রতিরোধ করা যাবে না। তাছাড়া যে কোনও পরিসংখ্যান তুলে দেখলেই বোঝা যাবে, লকডাউনের ৪০ দিনে ক্রমশ আমরা অবনতির দিকে এগোচ্ছি ।

https://twitter.com/PrashantKishor/status/1256437586173652992?s=20

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন দ্বিতীয় দফার লকডাউন ঘোষণা করলেন তখনই পিকে প্রশ্ন তোলেন, সরকার শুধু একটা পরিকল্পনা নিয়ে চলছে নাকি বিকল্প কোনও পরিকল্পনার কথা ভাবা আছে? যদি লকডাউনের পরও করোনার প্রকোপ না কমে তাহলে সরকার কি করবে? পরে দেখা গেল সরকার বিকল্প পথে না হেঁটে লকডাউনের পথেই হাঁটছে। আর তাতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর করা একটি টুইটে তিনি বলছেন, “এটা স্পষ্ট যে শুধু লকডাউন করেই করোনা আটকানো যাবে না। আমরা যে পরিসংখ্যানেই দেখি, গত ৪০ দিনে পরিস্থিতি খারাপই হচ্ছে। কিন্তু আমরা সত্যিটা স্বীকার করতে রাজি নই। আর সরকারও নিজের রণকৌশল বদলাতে রাজি নয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে যদি এই মানসিকতা বজায় থাকে তাহলে ১৭ মের পরও আমাদের অবস্থার অবনতিই হবে।”

https://twitter.com/PrashantKishor/status/1256863957190455296?s=20

তৃতীয় দফার লকডাউন জারির আগে কেন্দ্র যে ভিত্তিতে গোটা দেশকে রেড, গ্রিন আর অরেঞ্জ জোনে ভাগ করেছে তার ভিত্তি নিয়েও আওয়াজ তুলেছেন পিকে। তাঁর কথায়, “যারা এই জোন বিন্যাস নিয়ে আলোচনা করছেন তাঁদের বলে রাখি, এই জোন বিন্যাসের কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এই জোন নির্ভর করে কত পরিমাণ টেস্টিং হচ্ছে তার উপর। আমরা জানি, টেস্ট বেশি হলেই এই গ্রিন বা অরেঞ্জ জোন রেড জোনে পরিণত হতে পারে।”

আরও অন্যান্য খবর