Covid19 Crisis: করোনা সংক্রমণ রুখতে এবার ওড়িশার পথে হাঁটল পাঞ্জাব

ওড়িষার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক গতকালই ৩০ শে এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি করেছেন। সেই পথেই এবার পা বাড়াল পাঞ্জাব। ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংহ রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে শুক্রবার সর্বসম্মতিক্রমে করোনা মোকাবিলায় লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন।

যত দিন যাচ্ছে নোভেল কোরোনা ভাইরাসের প্রভাব ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে ভারত জুড়ে। এইসময় রাজ্যস্তরে লকডাউন, গণপরিবহণ বন্ধ রাখার ঘোষণা করা প্রথম রাজ্যগুলির মধ্যে ছিল পাঞ্জাব। আপাতত রাজ্যে ১৩২ জনের সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। তাই এই সময় লকডাউনে ইতি টানার কথা মনেও আসছে না তাঁর। গত ২৪ মার্চ মধ্যরাত থেকে ২১ দিন দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। তা শেষ হওয়ার কথা ১৪ এপ্রিল। মেয়াদ ফুরনোর আগেই একাধিক রাজ্যে লকডাউন বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে।

এদিন এর আগে অমরিন্দর ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সাংবাদিক বৈঠকে জানান, যেভাবে করোনার আক্রমণ বাড়ছে, তাতে লকডাউন ও কার্ফু বহাল রাখা উচিত বলে তিনি মনে করেন। অমরিন্দর বলেন, দুনিয়াজুড়ে করোনাভাইরাসের দাপট যেভাবে বাড়ছে লকডাউন না থাকলে কী করে পাঞ্জাব তার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকবে? অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় কিছুটা হলেও অতিমারী একটা পর্যায়ে আটকেছে তাঁর রাজ্য। কিন্তু এটা ছড়াবে। জরুরি পরিস্থিতির জন্য আগে থেকে প্ল্যান তৈরি করতে হবে সবাইকে।

উত্তরপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক সহ একাধিক রাজ্য ১৪ এপ্রিলের পরও লকডাউন চালু রাখার কথা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন বহাল রেখে কোভিড-১৯ এর মোকাবিলা করা সহজ হবে বলে তাদের যুক্তি। গত বুধবার সংসদের বিরোধী দলগুলির নেতাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সেও প্রধানমন্ত্রী করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা নিয়েই কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, “নিয়মিত মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলছি, জেলা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও আলোচনা করছি। কেউই কিন্তু আমায় লকডাউন তোলার কথা বলছেন না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কঠোর সিদ্ধান্তও নিতে হবে আমাদের।”

আরও অন্যান্য খবর