ফের কলকাতায় ছড়াল প্রবল আতঙ্ক। আরও একবার কলকাতার রাস্তা থেকে উদ্ধার মৃতদেহ। অজ্ঞাতপরিচয়ের এই দেহ নিয়ে বেড়েছে উত্তেজনা। গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অনুমান। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, তাহলে মৃতদেহে রক্ত কীভাবে এল!
ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার জোড়াসাঁকোতে। জানা গিয়েছে, জোড়াসাঁকোর এমজি রোডের দিকে ফুটপাতে এক অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। হোটেল হিমালয় নামের এক বিল্ডিংয়ের সামনে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে ছিল দেহটি। সেই হোটেলেরই এক ব্যক্তি এই দৃশ্য দেখার পর জোড়াসাঁকো থানার পুলিশে খবর দেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয় দেহটি। তবে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এখনও মৃতদেহের কোনও পরিচয় মেলেনি। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে দেহটি। এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করলে বছর তিরিশের মহম্মদ সরফরাজ নামের এক যুবককে সন্দেহ করে।
এরপর সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশের অনুমান, ওই ব্যক্তিকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে খুন করা হয়েছে। ওই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে মৃতদেহে রক্ত এল কীভাবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে খুনের আসল কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানাচ্ছে পুলিশ।
তবে ওই মৃত ব্যক্তি আদতে কে, কী তাঁর পরিচয়, সরফরাজের সঙ্গেই বা তাঁর কী সম্পর্ক, তা এখনও জানা যায়নি। এই নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার নির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা রুজু হয়েছে বলে খবর।
সম্প্রতি কলকাতার রাস্তায় অজ্ঞাতপরিচয়ের দেহ উদ্ধারের ঘটনা যেন বেড়ে গিয়েছে। গত সপ্তাহেই কলকাতার ময়দানের পাশেই উদ্ধার হয়েছিল এক মৃতদেহ। সেটি ফুটপাতবাসীর দেহ ছিল বলে জানা যায়। আবার কিছুদিন আগে সেই ব্রিগেড প্যারেদ গ্রাউন্ড থেকেই উদ্ধার হয়েছিল এক মৃতদেহ। আর এবার ঘটনা জোড়াসাঁকোতে। শহরে একের পর এক এমন মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বেশ আতঙ্ক ছড়িয়েছে সকলের মনে!





