রাজ্যে লকডাউন শিথিল হয়েছে ধীরে ধীরে পয়লা জুন থেকে। গত ৮ই জুন থেকে রাজ্যে সরকারি ও বেসরকারি সমস্ত অফিসেই ৭০% কর্মী হাজিরা নিয়ে শুরু হয়ে গেছে কাজকর্ম। কিন্তু প্রথম কথা গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু হওয়ার কথা থাকলেও এখনো সেভাবে রাস্তাঘাটে বাস-অটো বা অন্যান্য পরিবহণ ব্যবস্থা রাস্তায় পুরোদমে নামেনি। উপরন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অধিকাংশই আসেন শহরতলি থেকে এবং লোকাল ট্রেন এখনো পর্যন্ত চালু না হওয়ায় এই কর্মচারীরা সবাই অফিসে এখনও পর্যন্ত আসতে পারছেন না। অনেকেই হয়তো আসছেন কিন্তু দূরদূরান্ত থেকে গাড়ি ভাড়া করে বা সাইকেল এর মাধ্যমে আসার ফলে তাদের জীবনের একটা ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে। তারপর ছুটি কাটার ভয়ে অনেক কর্মচারী হালকা জ্বর ও সর্দি কাশি নিয়েই অফিসে চলে আসছেন।
অর্থাৎ সবমিলিয়ে অফিস কাছারি খুলে গেলেও অফিসে আসতে ও অফিস থেকে বাড়ি যেতে রীতিমতো কালঘাম ছুটছে অফিস যাত্রীদের। একপ্রকার পেটের দায়ে সোশ্যাল ডিস্টান্সিংয়ের নিয়মকে শিকেয় তুলে কার্যত ভিড় বাসে করেই যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন নিত্যযাত্রীরা।
এবার এই ব্যবস্থার প্রতিকার করতে একটি নতুন উপায়ের কথা বললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি অফিসে তিনি এবার দুটো শিফট চালু করার কথা বললেন। মমতা বলেন, ‘রাজ্য সরকারি দফতরে দুটি শিফট চালু। প্রথম শিফট সকাল ৯.৩০-দুপুর ২.৩০। দ্বিতীয় শিফট দুপুর ১২.৩০-বিকেল ৫.৩০। ডেপুটি সেক্রেটারি লেভেল পর্যন্ত জোড়া শিফট চালু।’
এই শিফট চালু হওয়ার ফলে সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের সুবিধা মত অফিসে আসতে পারবেন। যার ফলে তাদেরকে যাতায়াতের ভোগান্তি কিছুটা কম ভোগ করতে হবে বলে মনে করছে নবান্ন।






