নাবালিকাদের দিয়ে দেহব্যবসা চালানোর অভিযোগ উঠল বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই নেতাকে। এছাড়াও আরও ১১জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এই ঘটনায়। মধুচক্র চালানোর অভিযোগে বুধবার বিকেলে গ্রেফতার করা হয় তাদের।
কোথায় ঘটেছে এই ঘটনা?
ধৃত ওই বিজেপি নেতার নাম সব্যসাচী ঘোষ। হাওড়ার সাঁকরাইলের ধূলাগড়ে একটি হোটেলের মালিক তিনি। সব্যসাচী বর্তমানে সাঁকরাইলের শ্রমিক নেতা। ২০১৬ সাল থেকেই হাওড়ার সক্রিয় বিজেপি নেতা বলে পরিচিত তিনি। সম্প্রতি শ্রমিক সংগঠনের দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার বিকেলে সাঁকরাইলের ধূলাগড়ের ওই হোটেলে হানা দেয় হাওড়া সিটি পুলিশ। সেখানে মধুচক্রটি হাতেনাতে ধরে তারা। ওই হোটেল থেকে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। সাঁকরাইল থানার পুলিশ সেখান থেকে ২ নাবালিকা ও ৪ তরুণীকে উদ্ধার করে হোমে পাঠায়।
ধৃতদের মধ্যেই ছিলেন ওই বিজেপি নেতা। মধুচক্র চালানোর পাশাপাশি ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো আইনেও মামলা রুজু করা হয়েছে। গতকাল, বৃহস্পতিবার ধৃতদের হাওড়া জেলা আদালতে তোলা হয়। তাদের ৭ দিনের পুলিশ হেফাজত দেন বিচারক।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সাউথ বিশ্বজিৎ মাহাতো বলেন, “ধৃতরা নাবালিকা ও তরুণীদের নিয়ে এসে হোটেলের ভিতরে দেহব্যবসা চালাচ্ছিল। পুরো বিষয়টিই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে”।
কী প্রতিক্রিয়া বিজেপির?
বিজেপি নেতার গ্রেফতারির ঘটনায় বিজেপির হাওড়া সদরের জেলা সম্পাদক ওমপ্রকাশ সিং বললেন, “সন্দেশখালির ঘটনা থেকে মোড় ঘোরাতেই সরকার ও পুলিশ বেছে বেছে বিজেপি নেতাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে দল তদন্ত করে দেখবে সত্যিই সব্যসাচী মধুচক্র চালানোর সঙ্গে যুক্ত কিনা। যদি তা হয় তাহলে সব্যসাচীর বিরুদ্ধে দলের তরফে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।
কী বলছে তৃণমূল?
এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা অরূপ রায় বলেন, “বিজেপির নেতা মানেই নানা অসামাজিক কাজে তারা যুক্ত। এই ঘটনায় ফের একবার তা প্রমাণিত হল। এর আগেও বিজেপি নেতাদের সঙ্গে অসামাজিক কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে”।






