নানান দুর্নীতির তদন্ত করতে নানান জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। এবার ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় কলকাতার একাধিক জায়গায় সপ্তাহের প্রথমদিনই তল্লাশি শুরু করল সিবিআই। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে উধাও হওয়া টাকা কোন কোন অ্যাকাউন্টে লেনদেন হয়েছে, তা জানতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের বাড়ি বাড়ি চলছে তল্লাশি।
কী ঘটেছে ঘটনাটি?
চলতি বছরের জুন মাসে আরটিআইয়ের মাধ্যমে জানা যায় যে ২০১৫ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের টাঁকশাল থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকার ৫০০ টাকার নোট আচমকাই উধাও হয়ে যায়। কোথায় গেল এত টাকা, তা জানার জন্য সিবিআইয়ের উপর যায় তদন্তভার। সেই মামলার তদন্তেই এবার কলকাতার নানান জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করল সিবিআই।
সূত্রের খবর, সিবিআই জানতে পেরেছে যে সেইসব টাকা একাধিক অ্যাকাউন্টে লেনদেন হয়েছে। সেই তল্লাশি করতে আজ, সোমবার সিবিআই অফিস থেকে সিবিআই আধিকারিকদের একাধিক দল বের হয়। জানা গিয়েছে, নিউটাউনের দু’টি আবাসন দত্তাবাদের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলে।
সিবিআই সূত্রের খবর, দত্তাবাদের এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কর্মী সুপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে চলে সিবিআই তল্লাশি। এই তল্লাশি প্রসঙ্গে তাঁর বাবা অনুপ মল্লিক বলেন, “ওঁরা এসে ছেলের খোঁজ করেছিলেন। ছেলের সঙ্গে যা কথা বলার, বলছেন। ছেলে ব্যাঙ্কে চাকরি করে। ওঁরা ওই সংক্রান্ত সব কাগজপত্র দেখছেন। আমি কিছু জানি না”।
নিউটাউনের ইউনি ওয়াল্ড সিটি আবাসনের ফেক্সকো ৩ বিল্ডিংয়ের ৬০৪ নম্বর রুম এবং নিউটনের মুক্তধারা আবাসন, বিএ ৭০-তে তল্লাশি চলে। তবে সেখান থেকে কী উদ্ধার হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই মুর্শিদাবাদের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা ও সোনা। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিধায়ক-সহ জেলার আরও চার জায়গায় তল্লাশি চলে। সিবিআই আধিকারিকরা তল্লাশি চালান তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সীর স্বামী তথা বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তী এবং কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িতেও।






