আশঙ্কার ২১শে ৩৪ বছরের অভিজ্ঞতাকে সঙ্গী করে লড়াইয়ে নামছে বাম শিবির। তবে এবার একলা নয় একুশের বিধানসভার যুদ্ধে বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে শামিল হয়েছে পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টও।
প্রাথমিক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে সমস্ত আসনে ২০১৬ সালে জয় পেয়েছিলেন বাম প্রার্থীরা, তাঁদের মধ্যে যাঁরা এখনও দলে আছেন, অর্থাৎ দলত্যাগী হননি তাঁদের ফের একই আসনে প্রার্থী করা হবে। অন্যদিকে বাকি আসনগুলিতে জোর দেওয়া হবে তরুণ প্রার্থীদের উপর।
সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন পর আবার বিধানসভার লড়াইয়ে ফেরত আসছেন মহম্মদ সেলিম। হুগলি জেলার কোনও আসন থেকে সেলিম লড়বেন। মূলত তাঁকে সামনে রেখেই তৃণমূল ও বিজেপির টক্কর নেবে বামেরা।
এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, যাদবপুর কেন্দ্র থেকে সুজন চক্রবর্তী, কামারহাটিতে মানস মুখার্জি, দমদম উত্তরে তন্ময় ভট্টাচার্য, হুগলির পান্ডুয়াতে আমজাদ হোসেন, শিলিগুড়িতে অশোক ভট্টাচার্যের টিকিট একপ্রকার নিশ্চিত বলে আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর।
এই বিধানসভা নির্বাচনে আলিমুদ্দিনের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, এবার প্রার্থী তালিকায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে তরুণ মুখকে। ঠিক হয়েছে ৪০ শতাংশ প্রার্থী হবেন ৪০ বছরের নিচে। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারই ফের ভোটের ময়দানে দেখা যাবে স্পষ্টবাদী এসএফআই-ডিওয়াইএফআই নেতা শতরূপ ঘোষ, কৌস্তভ চ্যাটার্জিদের। জানা যাচ্ছে, এবারও কসবা কেন্দ্র থেকেই বামেদের হয়ে লড়বেন শতরূপ। টালিগঞ্জ কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী হতে চলেছেন অভিনেতা দেবদূত ঘোষ।
একই সঙ্গে এই বছর সিপিএম প্রার্থী হচ্ছেন সুশান্ত ঘোষও। প্রাক্তন পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়নমন্ত্রী সুশান্ত ঘোষ এবার গড়বেতা ছেড়ে লড়তে চলেছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবণি থেকে। ক’দিন আগেই ঘরে ফিরেছেন। আর ঘরে ফেরার পর থেকেই দলের কর্মসূচিতে নিত্য দেখা যাচ্ছে সুশান্ত ঘোষকে। বড়ো বড়ো মিছিল করছেন, এক এক করে উদ্ধার করা হচ্ছে দখল হয়ে যাওয়া পার্টি অফিস। জঙ্গলমহলে ফের উড়ছে কাস্তে হাতুড়ি।
অর্থাৎ বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে কোমর বেঁধে নামছে বাম শিবির। ফলাফল সময় বলবে।






