আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে আবারও ভিজে উঠেছে দক্ষিণবঙ্গ। বুধবার ভোর থেকেই একটানা হালকা বৃষ্টি চলছিল, আর সেই বৃষ্টির রেশ জারি থাকবে আগামী ক’দিন। আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, ১১ অগাস্ট পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া।
কলকাতাতেও তার প্রভাব টের পাওয়া যাচ্ছে। সকাল থেকে গুমোট আবহাওয়া, মাঝেমধ্যে ঝিরঝিরে বৃষ্টি। শহরের তাপমাত্রাও খানিকটা কমেছে। আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে, আর সর্বনিম্ন নামবে প্রায় ২৬ ডিগ্রিতে। কিন্তু বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ থাকছে যথেষ্ট বেশি—৮১ থেকে ৯৮ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে।
দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বেশি হতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া—এই জেলাগুলিতে আজই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদের কিছু এলাকায়ও বৃষ্টি বাড়বে। এমনকি শুক্রবার পুরুলিয়াতেও ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।
এই বৃষ্টির আঁচ কেবল দক্ষিণবঙ্গেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। উত্তরবঙ্গেও একই ছবি। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পংয়ের কিছু কিছু জায়গায় আজ থেকেই ১১ অগাস্ট পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, দার্জিলিং, কোচবিহারেও ৮ অগাস্ট পর্যন্ত বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস। ৭ অগাস্ট ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে মালদাতেও।
আরও পড়ুনঃ Voter List Scam: ভোটার তালিকায় দুর্নীতির ভূত! সরকারি আধিকারিকরাই জড়িত, ৪ জন সাসপেন্ড, FIR-এ নাম ৩ WBCS অফিসারের!
তবে তাপমাত্রার দিক থেকে খুব একটা পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই, সেটা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হোক কিংবা উত্তরবঙ্গ। তাই যারা গরমে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন, তারা স্বস্তি পেলেও—বৃষ্টির কারণে ভেজা রাস্তা, জল জমা, আর যানজটের ভোগান্তি থাকবেই। সুতরাং ছাতা সঙ্গে রাখাটা এই ক’দিন বাধ্যতামূলক।






