BREAKING: ইউজিসির গাইডলাইন মানছে না যাদবপুর, চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে ৮০-২০ ভিত্তিতেই

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে ইউজিসি একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সোমবার রাতে জানিয়ে দেয় কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে যে, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ক্ষেত্রে ফাইনাল সেমেস্টারের পরীক্ষা নিতেই হবে। কিন্তু এই নিয়ম মানবে না বলে জানিয়ে দিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এর আগে স্থির হয়েছিল যে ফাইনাল সেমেস্টার এর ছাত্র-ছাত্রীদের ৮০% নম্বর দেওয়া হবে পূর্ববর্তী যে সেমেস্টারে তারা সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে সেখান থেকে এবং বাকি কুড়ি শতাংশ নম্বর দেওয়া হবে অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করে। সেইমত প্রস্তুতিও শুরু করে দেয় সমস্ত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। প্রস্তুতি শুরু করে যাদবপুরও।

সোমবার ইউজিসির সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আপৎকালীন ভিত্তিতে একটি বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই স্থির করা হয় যে ছাত্র-ছাত্রীদের ফাইনাল সেমেস্টারে বসতেই হবে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের লিখিত পরীক্ষা নয়তো অনলাইন পরীক্ষা নতুবা অনলাইন ও অফলাইন মিশ্রিত পরীক্ষায় বসতে হবে। যাঁরা এই পরীক্ষায় বসতে পারবেন না তাদেরকে পরবর্তীকালে আরেকবার পরীক্ষার বসার সুযোগ দেওয়া হবে। ইউজিসির গাইডলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হতেই বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। সকলেই প্রশ্ন করতে শুরু করেন যে, ভারত যেখানে করোনা আক্রান্তের হারে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে রয়েছে সেখানে সেপ্টেম্বরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা কীভাবে নেওয়া সম্ভব?

এই অবস্থায় রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি কী পদক্ষেপ নেয় সেটাই দেখার ছিল। সেখানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফ জানিয়ে দিল যে তারা ইউজিসির গাইডলাইন মানছে না। আগে যেরকম ঠিক হয়েছিল বোর্ড অফ এক্সামিনেশন-এর সিদ্ধান্তে সেই ৮০-২০ ভিত্তিতেই ফাইনাল সেমেস্টারের পড়ুয়াদের চূড়ান্ত ফলাফল তৈরী করতে চলেছে যাদবপুর।

আফসুর পক্ষ থেকে একটি ফেসবুক পোস্টে আজ জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি টেলিফোনিক বার্তালাপে জানা গিয়েছে যে বিশ্ববিদ্যালয় ইউজিসি গাইডলাইন মানবে না। এই মুহূর্তে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছেন না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাই যে ৮০-২০ ভিত্তিতে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরী করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় সেই সিদ্ধান্তেই অনড় থাকছে যাদবপুর। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্তে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন ছাত্রছাত্রীরা।

আরও অন্যান্য খবর