নতুন বছরেই খুলে যাবে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের দ্বার! কবে উদ্বোধন, জানিয়ে দিলেন মমতা, পুরীর খাজার মতো এখানেও মিলবে বিশেষ মিষ্টি!

দিঘায় গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে জগন্নাথ মন্দিরের কাজ কতদূর এগোল, তা পরিদর্শন করতেই তাঁর দিঘা সফর। আজ, বুধবার মন্দিরের কাজ পরিদর্শন করে মমতা জানান, আগামী বছর থেকে বাংলাতেই রথযাত্রায় জগন্নাথ দর্শন করতে পারবেন বাঙালি। কারণ নতুন বছরেই খুলে যাচ্ছে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের দ্বার।  

এদিন মন্দির পরিদর্শন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, রাজ্যের মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে গঠন হয়েছে এই জগন্নাথ মন্দিরের ট্রাস্ট বোর্ড। এই বোর্ডে ইসকনের পাশাপাশি রয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক, জেলার পুলিশ সুপার, ও সনাতন ধর্মের প্রতিনিধি এবং জগন্নাথ দেবের মন্দিরের পূজারী। এক স্বেচ্ছাসেবী হিসেবেই তিনি এই কাজ করছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

দিঘার এই জগন্নাথ মন্দির তৈরি হয়েছে ২০ একর জায়গা জুড়ে। ২৫০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে এই মন্দির গড়তে। এবার থেকে মন্দির চত্বর থেকে রথযাত্রাও হবে। মন্দিরের আশেপাশে সনাতন ধর্মের লোকজন দোকান করবেন বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রথযাত্রায় সোনার ঝাড়ু থাকে। মমতা জানান, সেই সোনার ঝাড়ুর জন্য তিনি নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে ৫ লক্ষ টাকা দেবেন।

বিশিষ্ট মানুষজনদের আমন্ত্রণ জানানো হবে মন্দিরের উদ্বোধনে। মমতা এও জানান, এরপর থেকে রথযাত্রায় তিনি সোজা দিঘা চলে আসবেন। আর উল্টোরথে তিনি কলকাতার ইসকনে থাকবেন। আগামী বছরের ৩০ এপ্রিল, অক্ষয় তৃতীয়ার দিন উদ্বোধন হবে দিঘার এই জগন্নাথ মন্দিরের। পুরীতে যেমন খাজা পাওয়া যায়, তেমনই এখানেও মন্দিরের চত্বরে মিলবে কালীঘাটের প্যাঁড়া, গজা, গুজিয়া।   

এদিন মন্দির পরিদর্শন করে স্মৃতির পাতায় উল্টে মমতা বলেন, “বছর কয়েক আগে দিঘায় ঘুরতে ঘুরতে সিদ্ধান্ত নিই সমুদ্র সৈকতে একটি মন্দির করব। পুরীর মন্দিরের মতোই উচ্চতা করব ঠিক করি। আজ তিন- চার বছর সময় লেগেছে এত সুন্দর মন্দির তৈরি হয়েছে। আমরা তুলনা করব না। তবে এখানে জায়গাটা বেশি। সব আলাদা আলাদা ঘর থাকছে। এখানে পুরীর খাজার মত বাংলার গজা, গুঁজিয়া থাকবে”।

আরও পড়ুনঃ ‘এরা বেইমান, প্রতিদান দিতে জানে না, তপস্যা করলেও কলকাতা দখল করতে পারবে না’, বাংলাদেশের প্রতি ক্ষোভ সেদেশের স্বাধীনতার জন্য লড়া ভারতের প্রাক্তন সেনার

জানা গিয়েছে, দিঘার এই জগন্নাথ মন্দিরের মূল প্রবেশের জায়গায় চৈতন্যদেবের মূর্তি বসানো থাকবে। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে যেমন প্রতিদিন ধ্বজা তোলা হয়, এখানেও তেমন ধ্বজা তোলা হবে। এই মন্দিরে থাকবে রাজস্থানের পাথরের কাজ।

আরও অন্যান্য খবর