তৃণমূলের গোষ্ঠীর মধ্যেকার সংঘাত নতুন কোনও ঘটনা নয়। জমি দখলের লড়াইয়ে গোষ্ঠীর অন্দরে বিবাদ লেগেই থাকে। এই বিবাদের জেরেই প্রাণ খোয়ালেন দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। মৃতের নাম কালিপদ সরকার। তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে গঙ্গারামপুর এলাকা।
কালিপদ সরকারের মৃত্যুকে ঘিরে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে পুলিশের তরফ থেকে দাবী করা হয়েছে যে, হৃদযন্ত্র বিকল হয়েই নাকি কালিপদবাবুর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যর আসল কারণকে ঘিরে ধোঁয়াশা ছড়িয়েছে।
খবর, আজ, মঙ্গলবার সকালে গঙ্গারামপুরের শুকদেবপুরের জমি দখল নিয়ে সংঘর্ষ বাঁধে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। শুরু হয় গুলি বর্ষণ। গুলিবিদ্ধ হন এক তৃণমূল কর্মী, নাম সঞ্জিত সরকার। মাথায় গুলি লাগে তাঁর। এরপরই তাঁকে চিকিৎসার জন্য দ্রুত মালদায় স্থানান্তরিত করা হয়। গুলির পাশাপাশি বেশ লড়াইও চলে দু’পক্ষের। এই বিবাদের জেরেই জখম হন কালিপদ সরকার, এমনই অনুমান করা হয়েছে। এরপর তাড়াতাড়ি তাঁকে গঙ্গারামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
কালিপদ সরকারের মৃত্যু নিয়েই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিবাদের জেরে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী ও কমব্যাট ফোর্স। কালিপদ সরকার তৃণমূলের অন্দরে বিপ্লব অনুগামী বলেই পরিচিত ছিলেন।
তবে পুলিশের দাবী, বিবাদের জেরে জখম হয়ে মৃত্যু হয়নি কালিপদবাবুর। তাঁর উচ্চ রক্তচাপ ও হাই সুগার ছিল বলে জানা গিয়েছে। এই কারণেই হৃদযন্ত্র বিকল হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। তবে কালিপদ সরকারের মৃত্যু নিয়ে এখনও রহস্য কাটেনি। এই ঘটনার তদন্ত করছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।






