আজ রবিবার তৃণমূলের ব্রিগেড। তৃণমূলের ‘জনগর্জন’ সভা। জেলা থেকে বহু কর্মী ট্রেনপথেই সমাবেশে যোগ দেওয়ার কথা। এদিনই হাওড়া ডিভিশনে ২৮টি লোকাল ট্রেন বাতিলের ঘোষণা করেছে রেল। হাওড়া ডিভিশনের তরফে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, লিলুয়া স্টেশনে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের কাজ চলার জন্য একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ওই লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রেখে কাজ হবে। তাই জন্য এদিন হাওড়া-বর্ধমান শাখায় ২৮টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।
রেলের তরফে এই ঘোষণা হতেই ক্ষোভে ফুসছে রাজ্যের শাসকদল। বিজেপির প্ররোচনাতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল, অভিযোগ তৃণমূল নেতৃত্বর। জানা গিয়েছে, ব্রিগেডের জন্য রেলের কাছে বেশ কয়েকটি ট্রেন ভাড়া চেয়েছিল তৃণমূল। গত বছর অভিষেকের নেতৃত্বে ১০০ দিনের বকেয়া আদায়ে দিল্লি অভিযানের সময়ও রেলের কাছে ট্রেন ভাড়া চেয়ে নিরাশ হতে হয়েছিল তৃণমূলকে। সেই সময়ও শেষ মুহূর্তে ট্রেন বাতিল করেছিল রেল।
তৃণমূল নেতৃত্বর অভিযোগ, কর্মসূচি সফল হতে না দেওয়ার লক্ষ্যেই রবিবার বিশেষ দিনে একাধিক ট্রেন বাতিলের কথা ঘোষণা করেছে রেল। পাল্টা বিজেপি নেতৃত্বর দাবি, রেলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও যোগ নেই। অযথা সবকিছুতেই রাজনীতি গন্ধ খুঁজছে তৃণমূল। রেল সূত্রের খবর, রেল লাইনের কাজের কারণে এদিন শিয়ালদহ শাখারও বেশ কয়েকটি ট্রেনও বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে মাসের শুরুতেই শিয়ালদহ শাখার একাধিক ট্রেন বাতিল করেছিল পূর্ব রেল। রেলের তরফে বিস্তারিত জানিয়ে এ ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। ১ মার্চ থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত নন-ইন্টারলকিংয়ের কাজের জন্য দমদম স্টেশনে ট্রেন পরিষেবা আংশিক ব্যাহত হয়েছিল। সেসময় লোকাল ট্রেনের পাশাপাশি একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেনও বাতিল করা হয়েছে।
তবে আজকের ট্রেন বাতিলের ঘোষণায় বিরক্তি প্রকাশ করেছে শাসকদল। বিজেপির কথামতোই চলছে রেল। আর তার জন্যই জনগর্জন সভার দিনেই ব্যাহত হচ্ছে ট্রেন চলাচল। আজ হাওড়া-বর্ধমান শাখায় ২৮টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।






