অবশেষে কাটল জট! পুজোর আগেই মুখে হাসি ফুটল চাকরিপ্রার্থীদের, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু ১৪,০৫২ জন শিক্ষকের

পুজোর আগে মুখে ফুটল হাসি। দীর্ঘ জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হল উচ্চ প্রাথমিকে। আজ, বৃহস্পতিবার থেকেই কাউন্সেলিং শুরু করল স্কুল সার্ভিস কমিশন বা এসএসসি। ১৪ হাজার ৫২ জনের নিয়োগ হবে। শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে এসএসসি ওয়েবসাইটে।

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর থেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে সচল হয়েছিল এসএসসি। গত শুক্রবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছিল যে আজ, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে কাউন্সেলিং। পুজোর আগে ৩ ও ৪ অক্টোবর ও পুজোর পর ২৪, ২৫, ২৮ ও ২৯ অক্টোবর হবে নিয়োগ কাউন্সেলিং। বিধাননগরে এসএসসি অফিসে এদিন সকাল সাড়ে দশটা থেকে শুরু হয়েছে কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া।

বলে রাখি, এই কাউন্সেলিংয়ে অংশ নিচ্ছেন ২০১৬ সালের উচ্চ প্রাথমিক টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীরা। এই নিয়োগের মেধাতালিকায় কিছু অসঙ্গতি দেখা দেওয়ার কারণে ২০২০ সালে গোটা প্যানেল বাতিল করে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এরপর সেই তালিকা প্রকাশের অনুমতি দেওয়া হয় ২০২৩ সালে। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা হয়। সেই মামলার জটের কারণেই আটকে ছিল নিয়োগ।

অবশেষে চলতি বছরের আগস্ট মাসে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এসএসসিকে মেধা তালিকা প্রকাশ করতে হবে আর পরবর্তী চার সপ্তাহের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। তবে এসএসসি কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় মাঝে এসএসসি ভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান চাকরিপ্রার্থীরা। অবশেষে নিয়োগের জন্য কাউন্সেলিং শুরু করল এসএসসি।

এই নিয়োগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দোলাচলে ছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। নিয়োগ আদৌ হবে তো, এই প্রশ্ন নিয়েই যদিও এদিন কাউন্সেলিংয়ে এসেছেন উচ্চ প্রাথমিকের চাকরিপ্রার্থীরা। এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, “কেরিয়ার থেকে দশ বছর চলে গিয়েছে। দুবার এসেছিলাম, কাউন্সিলিং হল, কিন্তু… এবার মনে হচ্ছে চাকরি হয়ে যাবে। কারণ আদালত থেকেও নির্দেশ এসেছে”।

আরও পড়ুনঃ আর জি কর আবহেই ঘটল ভয়ঙ্কর ঘটনা! হাসপাতালে ঢুকে চিকিৎসককে গুলি ২ কিশোরের, উঠছে হাসপাতালে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! 

অন্য এক আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীর কথায়, “১৪৩৩৯ শূন্যপদে ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর ভ্যাকেন্সি তালিকা প্রকাশ হয়। নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে কাউন্সিলিং হয়। যাঁরা পেয়েছিলেন, তাঁরা স্কুলে গিয়ে দেখেন, সেটা এসসি সংরক্ষিত। বীরভূম জেলার ৬৮০ টি স্কুলের ঠিকানাই ভুল ছিল। এবার স্কুল সার্ভিস কমিশন সংশোধন করতে পারে। আমরা এবার এই জটিলতা থেকে মুক্তি পেতে চাই”।

RELATED Articles