স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সুরুচি সংঘ ক্লাবকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ ক্লাব চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান এবং অভিযোগ তোলেন যে, দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সেখানে কার্যত সীমাবদ্ধ ছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর ক্লাবের বিভিন্ন অংশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
স্থানীয়দের দাবি, ক্লাবের ভেতরে এমন কিছু পরিকাঠামো রয়েছে যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ক্লাবের একাংশে বসার জন্য সোফা, প্রচুর পানীয় জলের বোতল এবং অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি কিছু নথিও পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। এর মধ্যে ভোটার তালিকা উদ্ধার হয়েছে বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে ক্লাবের দোতলায় থাকা একটি সুসজ্জিত ঘর। সেখানে একটি বড় খাট, দেওয়ালজোড়া আলমারি, একাধিক ড্রয়ার এবং সংলগ্ন আধুনিক শৌচাগার রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘরটি কারা ব্যবহার করতেন এবং কী উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হত, তা নিয়েই এখন নানা প্রশ্ন উঠছে।
এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ক্লাবের ভেতরের কার্যকলাপ সম্পর্কে তাঁদের স্পষ্ট ধারণা ছিল না। ফলে এই ধরনের ঘর এবং অন্যান্য ব্যবস্থার অস্তিত্ব সামনে আসার পর নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে, এর আগে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে বেডরুম সদৃশ ঘর ঘিরে যেমন প্রশ্ন উঠেছিল, ‘এটা ক্লাব, না ফাইভ-স্টার হোটেল?’ এই প্রশ্নই এখন সরগম এলাকা।
আরও পড়ুনঃ “সিবিআই আইনজীবীই বলে দিতেন আদালতে কী বলবো, কি বলবো না” অভি*যোগ আরজি কর কাণ্ডে নির্যা*তিতার বাবার! তাহলে কি তদন্তের দিক ঘোরানোর জন্য নেপথ্যে ছিল অন্য কোনও ‘স্ক্রিপ্ট’?
অন্যদিকে ক্লাব চত্বরের নিচের অংশে একটি গোয়ালঘরেরও খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। সেখানে দু’টি গরু রাখা ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এরই মধ্যে তোলাবাজি এবং এক মহিলার সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। সেই ঘটনার পর থেকেই সুরুচি সংঘকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।






