সোমবার রাতেই দিঘা- শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের পদ পদ থেকে সরানো হয়েছিল বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শিশির অধিকারীকে। দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে সেই পদে বসানো হয় অখিল গিরিকে। সেই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বাবার পাশে থেকে শুভেন্দুর হুংকার ছেড়ে বলেন যে, যারা তাঁর বাবাকে পদ থেকে সরিয়েছে, আর কিছু মাস পর তাঁরাও সরে যাবে।
এদিকে, দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে শিশির অধিকারীকে সরানো নিয়ে অখিল গিরির দাবী শেষ কয়েকমাস ধরেই এই এলাকার কোন কাজ করেননি শিশিরবাবু। তিনি কোনও বৈঠকেও যোগ দিতেন না। এই কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কোনও পরিবারের উপর ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেয়নি তাঁর দল, এমনটাও স্পষ্ট জানান অখিলবাবু।
প্রসঙ্গত, শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই অধিকারী পরিবারের প্রতি কড়া হয় তৃণমূল। এর আগে শুভেন্দুর ভাই, শিশির অধিকারীর ছোটো ছেলে সৌমেন্দুকে তাঁর বরাদ্দ প্রশাসনের পদ থেকে সরানো হয়েছিল।
শিশির অধিকারীকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরানোর তীব্র নিন্দা করেন সদ্য বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার বিকেলে দুর্গাপুরের প্রান্তিকা মোড়ে বিজেপির সভা মঞ্চ থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, “এখন শুধু অপেক্ষা পরিবর্তনের পরিবর্তন। আগামী একুশের নির্বাচনে বিজেপি দু’শোর বেশি আসন পাবে। বাবাকে যারা সরিয়েছেন, তারা নিজেরাই তিনমাস পর সরে যাবেন”।
এরপর বাম ও কংগ্রেসকে আবেদন জানিয়ে বলেন যে আগামী নির্বাচনে যেন তারা বিজেপিকে ভোট দেন, একটি ভোটও যেন তারা নষ্ট না করেন। তাঁর এই আবেদন করা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু চাপানউতোর। এবার শুভেন্দুর আবেদনে বাম-কংগ্রেস কতটা সাড়া দেয় বা আদৌ দেয় কী না, এখন সেটাই দেখার।






