‘টার্গেটে ৮০০ কর্মী’, বিস্ফো*রক অভিযোগ তৃণমূলের! সম্ভাব্য গ্রেফ*তারি ঠেকাতে আদালতের দ্বারস্থ, নির্বাচনের আগে কি নতুন সংঘা*তের ইঙ্গিত?

ভোটের আবহ যত ঘনাচ্ছে, ততই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠছে। ময়দানে সভা-মিছিল, প্রচার আর পাল্টা প্রচারের ভিড়ে এক অদৃশ্য চাপও তৈরি হচ্ছে রাজনৈতিক শিবিরগুলির মধ্যে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বারবার অভিযোগ উঠছে, নির্বাচনের আগে তাদের কর্মীদের টার্গেট করা হতে পারে। এই আশঙ্কা থেকেই এবার সরাসরি আদালতের দ্বারস্থ হল তারা।

দলের দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় প্রায় ৮০০ জন তৃণমূল কর্মীকে নজরে রাখা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে যে কোনও সময় গ্রেফতারির পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে শাসকদল। এই পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন দলীয় নেতৃত্ব। ফলে বিষয়টি আর রাজনৈতিক মঞ্চে সীমাবদ্ধ না রেখে আইনি পথে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এই প্রেক্ষিতেই কলকাতা হাই কোর্টে আর্জি জানানো হয় তৃণমূলের তরফে। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান, অবিলম্বে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা জরুরি। তাঁর বক্তব্য, সম্ভাব্য গ্রেফতারির আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠতে পারে। সেই কারণে আদালতের নজরদারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই দাবি করা হয়।

তৃণমূলের আবেদন খতিয়ে দেখে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চ। জানা গিয়েছে, আগামী বুধবার এই মামলার শুনানি হতে পারে। ফলে এই ইস্যুতে আদালতের পর্যবেক্ষণ এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।

আরও পড়ুনঃ ট্রেনিং শেষে সই নয়, এবার দিতে হবে লিখিত মুচলেকা! নির্বাচন কমিশনের নতুন নিয়মে প্রশ্নের ঝড়!

উল্লেখযোগ্য বিষয়, এর আগেও একাধিক সভা থেকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের সম্ভাব্য গ্রেফতারি নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিকল্পিতভাবে চাপ তৈরি করা হতে পারে। এই আবহেই আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এখন সকলের নজর আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে, এই মামলার রায় কি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন প্রভাব ফেলবে?

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles