Death of Central Army Jawan in Coochbihar: আজ, ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হল গণতন্ত্রের উৎসব। এদিন লোকসভা ভোটের প্রথম দফার ভোট রয়েছে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে। সকাল সকাল সকলে উপস্থিত হয়েছেন ভোট কেন্দ্রে। তীব্র গরমকে উপেক্ষা করে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা। কিন্তু এরই মধ্যে এল এক দুঃসংবাদ। কোচবিহারের মাথাভাঙায় মৃত্যু হল এক কেন্দ্রীয় জওয়ানের (Death of Central Army Jawan in Coochbihar)।
সূত্রের খবর, ওই কেন্দ্রীয় জওয়ানের নাম নীলেশকুমার নীলু। বিহারের বাসিন্দা তিনি। মাথাভাঙা বেলতলা এলাকায় একটি স্কুলে ভোটের ডিউটিতে এসেছিলেন ওই কেন্দ্রীয় জওয়ান। তাঁর এমন অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে পুলিশ জানাচ্ছে, ভোটকেন্দ্রেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন নীলু। আচমকাই তাঁর নাক-মুখ থেকে উঠতে থাকে রক্ত। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মাথাভাঙা হাসপাতালে। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন (Death of Central Army Jawan in Coochbihar)। তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে খবর।
চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে ওই জওয়ানের (Death of Central Army Jawan in Coochbihar)। তবে নির্বাচন কমিশনের তরফে এই বিষয়টির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রথম দফার নির্বাচনে বাংলার এপিসেন্টার কোচবিহার। আর সেখানেই এমন এক ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়।
জানা গিয়েছে, আজ রাজ্যের ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কোচবিহারে ৪৭টি, আলিপুরদুয়ারে ২৩টি, জলপাইগুড়িতে ১৩টি, শিলিগুড়িতে তিনটি কুইক রেসপন্স টিম রয়েছে। তিনটি ভোটকেন্দ্রে কমিশনের তরফে রাজ্য পুলিশের মোট ১২,৩১০ জন কর্মীকে নিযুক্ত করা হয়েছে (Death of Central Army Jawan in Coochbihar)। ভোটের দিন তিন জেলায় সুষ্ঠু-অবাধ নির্বাচন ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে পর্যবেক্ষকও নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন।
তবে এরই মধ্যে গতকাল, বৃহস্পতিবার রাতে কোচবিহারের দেওচড়াই গ্রাম পঞ্চায়েতে ৮/২৬১ নং বুথে সংঘর্ষ বাঁধে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে। বেশ কিছুজন আহত হন। আহতদের ভর্তি করা তুফানগঞ্জ হাসপাতালে। আবার ভোটের দিন সকালেও উত্তপ্ত হয় কোচবিহার। কোচবিহারের জেনকিন্স স্কুলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি ও তৃণমূলের পতাকা লাগানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এর ফলে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে বিজেপি অভিযোগ জানালে পতাকা ও ছবি সরিয়ে নেওয়া হয়।






