পাশের ঘরে প্রেমিকের সঙ্গে যৌন খেলায় মত্ত স্ত্রী, শীৎকারে ঘুম ভাঙল স্বামীর

স্বামীকে দুধের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে খাইয়ে তাঁকে অচেতন করে পাশের ঘরে প্রতি রাতে প্রেমিকের সঙ্গে চলত অভিসার ও যৌন খেলা। দিনের পর দিন চলতে থাকে এই ঘটনা। কিন্তু একদিন মাদকের নেশা ছুটতেই ফাঁস হয়ে গেল স্ত্রীয়ের সব কীর্তি।

এরকমই এক ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বরেলি জেলায়। কাঁটে থানার পুলিশকর্মী অঙ্কুরের সঙ্গে সরাফ নামের এক ব্যক্তির স্ত্রীয়ের অবৈধ প্রেমের ঘটনাকে ঘিরে শোরগোল। জানা গিয়েছে, কাঁটে থানায় দায়িত্ব পেয়ে আসেন অঙ্কুর। একদিন রাস্তায় সরাফের স্ত্রীকে দেখেই তাঁর প্রেমে পড়ে যান তিনি। খোঁজখবর নিয়ে সরাফের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে ফেলেন অঙ্কুর। বাড়িতেও যাতায়াত চলতে থাকে। সুযোগ বুঝে সরাফের স্ত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন তিনি। উল্টোদিক সম্মতি মিলতেই শুরু হয়ে যায় অভিসারের প্রস্তুতি।

সরাফের ফ্ল্যাটের পাশেই ফ্ল্যাট ভাড়া নেন অঙ্কুর। এরপর সরাফের স্ত্রী ও অঙ্কুর, দুজনে মিলে পরিকল্পনা করতে থাকেন সরাফকে এড়িয়ে নিজেদের প্রেমপর্ব কীভাবে চালাবেন। অঙ্কুর ফাঁদে একটা প্ল্যান। নিজের ক্ষমতা প্রয়োগ করে মাদক দ্রব্য কিনে এনে দিত সরাফের স্ত্রীকে। সেই মাদকই রোজ রাতে স্বামীর দুধে মিশিয়ে খাওয়াতেন সরাফের স্ত্রী। মাদকের প্রভাবেই কিছুক্ষণের মধ্যেই অচেতন হয়ে পড়তেন সরাফ। এরপর অঙ্কুরকে ফ্ল্যাটে ডেকে নিত সরাফের পত্নী। চলত চুপিসারে অভিসার।

কিন্তু হঠাৎই ঘটে ছন্দপতন। একরাতে পেট খারাপ থাকায় সরাফ মাদক মেশানো দুধ না খান নি। কিন্তু অঙ্কুরের প্রেমে মশগুল সরাফের স্ত্রী তা খেয়ালই করেন নি। অন্যান্য দিনের মতো অভিসারে প্রেমিককে ডেকে নেন। পাশের ঘরে লীলাখেলা শুরু হতেই শীৎকারে ঘুম ভেঙে যায় সরাফের। পা টিপে সেখানে পৌঁছতেই তিনি যা দেখেন, তাতে দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে যায় সরাফের।

আরও পড়ুন- অতিমারীর আবহে কতটা যুক্তিসঙ্গত শারীরিক মিলন? মাথায় রাখুন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

দেখেন অঙ্কুরের সঙ্গে যৌন খেলায় মত্ত তাঁর স্ত্রী। কোনওদিকেই কোনও খেয়াল নেই দুজনেরই। রাগে ক্ষোভে ফেটে পড়লেও কাউকে কিচ্ছু বুঝতে দেন নি সরাফ। প্রমাণ হাতে রাখতে দুজনের অভিসারের সেই পর্ব নিজের মোবাইলে ক্যামেরাবন্দি করে রাখেন তিনি।

পরদিন সকালে শুরু হয় আসল খেলা। স্ত্রী ও অঙ্কুরের ভিডিও নিয়ে সরাফ পৌঁছে যান কাঁটে থানায়। অভিযোগ করেন অঙ্কুরের বিরুদ্ধে। নিজের দফতরের আধিকারিকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পেয়ে হতভম্ব পুলিশ। এরপর সমস্ত প্রমাণ পেয়ে অঙ্কুরকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও অন্যান্য খবর