বয়স মাত্র ৪ মাস। এই বয়সেই বিশ্ব রেকর্ড গড়ে ফেলল সে। যদিও তার বয়সে জানা সম্ভব নয় যে বিশ্ব রেকর্ড আদতে কী! কিন্তু না বুঝেই সেই অসাধ্য সাধন করে ফেলেছে এই পুচকে। বিশ্বে এমন অনেক মানুষ রয়েছেন, যাদের ঠিক সাধারণের মাপকাঠিতে বিচার করা যায় না। বিশেষ ক্ষমতার জেরেই তারা অসাধারণত্ব অর্জন করে। এই ছোট্ট প্রাণটিও তেমনই এক অসাধারণের মধ্যে পড়ে।
কে এই বিস্ময় শিশু?
এই শিশুর নাম কৈবল্য। অন্ধ্রপ্রদেশের নন্দিগামা জেলার বাসিন্দা এই চার মাসের খুদে নিজের নাম তুলেছে ‘নোবেল বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে’। এই বয়সেই পশুপাখি, শাকসবজি-সহ ১২০টি নানান ধরণের আলাদা আলাদা বস্তু শনাক্ত করতে পারে ও তা আলাদাভাবে চিনে নিতে পারে। একজন চারমাস শিশুর জন্য যে তা কোনও সাধারণ বিষয় নয়, তা বলাই বাহুল্য।
কৈবল্যের এই অসাধারণত্বের পরিচয় প্রথম পেয়েছিলেন তার মা। ছেলের এই দক্ষতা ভিডিও রেকর্ড করে তিনি পাঠান নোবেল বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কর্তৃপক্ষের কাছে। সেই ভিডিও দেখেই নোবেল বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের একটি প্রতিনিধি দল যায় অন্ধ্রপ্রদেশে কৈবল্যের বাড়ি।
তার সেই দক্ষতা ভালোভাবে খতিয়ে দেখেন তারা। এরপর কৈবল্যকে স্বীকৃতি হিসেবে শংসাপত্র দিয়েছেন ওই প্রতিনিধি দল। গত ৩ ফেব্রুয়ারি কৈবল্যকে বিশ্ব রেকর্ডধারী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। নোবেল বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তরফে জানানো হয়েছে, এই কৈবল্যই প্রথম চার মাস বয়সী শিশু যে কী না ১০০-এর বেশি ছবি দেখে তা শনাক্ত করতে পারে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন কৈবল্যের এই নানান জিনিস শনাক্ত করতে পারার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ১২০টা ফ্ল্যাশকার্ড দেখে সব ঠিক চিনে নিচ্ছে কৈবল্য। এর মধ্যে ছিল ১২টি ফুলের ছবি, ২৭টি সবজির ছবি, ২৭টি ফলের ছবি, ২৭টি পশুর ছবি এবং ২৭টি পাখির ছবি। এই ভিডিওতে পরিবারের সঙ্গে কৈবল্যকে দেখা গিয়েছে তার বিশ্বরেকর্ডের স্বীকৃতির পদক-সহ।





