রবিবারেও রণক্ষেত্র দমদম সেন্ট্রাল জেল, ফের পরিস্থিতি সামাল দিতে গুলি

শনিবারের পর রবিবারেও দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে অশান্তি সামাল দিতে চলল গুলি। এ দিন মহিলা কারারক্ষীদের সঙ্গে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে পুরুষ বন্দিরা।পরিস্থি্তি সামাল দিতে গুলি চালানো হয়।

সূত্রের খবর একজন মহিলা কারারক্ষী আহত হয়েছেন। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার হাজার বন্দি রয়েছেন দমদম কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে। বন্দি-পুলিশ সংঘর্ষে শনিবার রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এই কেন্দ্রীয় কারাগার। করোনা সতর্কতায় বাড়ির লোকেদের সঙ্গে কয়েদিদের দেখা সাক্ষাৎ বন্ধ করা নিয়ে বচসার সূত্রপাত। তা থেকে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় জেলের ভিতর।

অভিযোগ, কয়েকশো বন্দি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় জেলের ভিতর। কারারক্ষীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়। অবস্থা সামাল দিতে পৌঁছোয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি বাগে আনতে গুলি চালায় পুলিশ। তাতে চার কয়েদির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই মৃত্যুর কথা স্বীকার করেননি জেল কর্তৃপক্ষ। গুরুতর আহত কয়েকজনকে পাঠানো হয় কলকাতায়। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের সাতটি ইঞ্জিন।

গত পরশু রাজ্য সরকারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে ৩১ মার্চ পর্যন্ত জেলের কয়েদিদের সঙ্গে বাড়ির লোক বা বাইরের কাউকে দেখা করতে দেওয়া হবে না। শনিবার থেকে তা কার্যকর হওয়ার পরেই শুরু হয় অশান্তি। কিন্তু বিচারাধীন ও সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা জেল কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ মানেনি। উল্টে বিক্ষোভ শুরু করে তারা।

রবিবার দুপুরে জেল চত্বরে কর্তব্যরত মহিলা কারারক্ষীদের লক্ষ্য করে কটূক্তি করে কিছু বন্দি। তা নিয়ে শুরু হয় বচসা। ফের অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ফের ভাঙচুর করে আগুন ধরাতে শুরু করে বন্দিরা। অবস্থা্ সামাল দিতে আবারও গুলি চালায় পুলিশ। তবে কতজন বন্দি হতাহত হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

Antara

I, Antara Banerjee, is a teen content writer who covers up the field of Sports, Politics and Social News.

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর