মাওবাদী আক্রমণে গুলিতে নিহত ১৭ জওয়ান, দুঃখের আবহ দেশজুড়ে

সমগ্র ভারত জুড়ে প্রধানমন্ত্রীর ডাকে পালিত হচ্ছে ‘জনতা কার্ফু’। অচেনা ভাইরাসের আক্রমণ রুখতে ঘরবন্দি প্রায় সমস্ত মানুষ। এরই মাঝে কর্তব্য থেকে অব্যহতি নেই যেসব দায়িত্বশীল নাগরিকদের, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সেনা-নিরাপত্তা বাহিনী। সেই কর্তব্য পালন করতে গিয়েই চরম মাসুল দিতে হল তাঁদের।

মাওবাদী-জওয়ান সংঘর্ষে নিহত হল ১৭ জন জওয়ান! শনিবার দুপুর থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত চলা গুলির লড়াইয়ে প্রাণ হারিয়েছেন তাঁরা।

স্থানীয় সূত্রের খবর, দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই গুলির লড়াইয়ের ফলে ১৪ জন জওয়ান গুরুতর জখম হয়েছেন বলে জানা গেছিল। নিখোঁজ ছিলেন আরও ১৭ জন। ছত্তীসগড়ের দক্ষিণে অবস্থিত সুকমা জেলার জঙ্গল ও পাহাড়ে ঘেরা এলাকা এলামগুন্ডার কাসালপাডের চিন্টাগুফার কাছে ঘটনাটি ঘটে। জখম নিরাপত্তারক্ষীদের বায়ুপথে উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে রায়পুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল থেকে তল্লাশি শুরু হয় নিখোঁজ জওয়ানদের। দুপুরের পরে ঘটনাস্থলের কিছুটা দূর থেকে সেই ১৭ জন নিরাপত্তারক্ষীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। গুলিতে পুরো দেহ ঝাঁঝরা হয়ে যায় তাঁদের।

শনিবার সকালে খবর এসেছিল, চিন্তাগুফার মিনপা জঙ্গলে কয়েক জন মাওবাদী লুকিয়ে আছে। ছত্তীসগড় পুলিশের ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড ও স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের যৌথ বাহিনীর প্রায় ২৫০ জন নিরাপত্তারক্ষী ওই এলাকায় অভিযান শুরু করেন।

দুপুর পৌনে একটা নাগাদ যখন রক্ষীরা চিন্তাগুফা শিবিরের কাছে এসে পৌঁছয়, তখন আচমকাই জঙ্গলের মধ্যে থেকে গুলি ছুড়তে শুরু করে মাওবাদীরা। পালটা জবাব দেন রক্ষীরাও। ঘন জঙ্গলের আড়ালে থাকায় মাওবাদীরা কতটা জখম হয়েছে তা বোঝা যায়নি।

কিন্তু গুরুতর জখম হয়ে লুটিয়ে পড়েন ১৪ জন নিরাপত্তারক্ষী। নিখোঁজ ছিলেন আরও ১৭ জন। রবিবার দুপুরেই তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার করেন কোবরা বাহিনীর জওয়ানরা। ঘটনায় শোকবিহ্বল গোটা দেশ।

Antara

I, Antara Banerjee, is a teen content writer who covers up the field of Sports, Politics and Social News.

আরও পড়ুন

RELATED Articles

Leave a Comment