Enforcement Directorate seized 14 crore of property of Sheikh Shah Jahan: সন্দেশখালি নিয়ে চর্চা বা উন্মাদনার কোনও অন্ত নেই। প্রতিদিনই কোনও না কোনও খবর মিলছে ওই এলাকাকে কেন্দ্র করে। এর আগে সন্দেশখালির জমি হারাদের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগ জমা করেছে সিবিআই। আর এবার ফের একবার সন্দেশখালি কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করলেন তদন্ত আধিকারিকরা (Enforcement Directorate seized 14 crore of property of Sheikh Shah Jahan)।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই নতুন ইমেল আইডি খুলে সন্দেশখালির জমি হারাদের অভিযোগ নিতে শুরু করেছিল সিবিআই। সন্দেশখালিতে একাধিকবার অভিযান চালিয়ে জমিহারাদের সঙ্গে কথাও বলেছেন তদন্তকারীরা। এবার সেখানে অস্থায়ী ক্যাম্প খুলে শুরু হয়েছে অভিযোগ জমা নেওয়ার পর্ব। ওই অস্থায়ী ক্যাম্পে গিয়ে জমি দখলের অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন সন্দেশখালির মানুষ।
শুধুমাত্র সিবিআই-ই নয়, সন্দেশখালির কাণ্ডের তদন্ত করছে ইডিও। শাহজাহানের বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল ও সেখানে মাছের ভেড়ি করে কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ উঠেছিল। এর আগে এই সংক্রান্ত মামলায় ১২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি। আর এবার শাহজাহানের ১৪ কোটি টাকার সম্পত্তির বাজেয়াপ্ত করা হল (Enforcement Directorate seized 14 crore of property of Sheikh Shah Jahan)। যেখানে যেখানে দুর্নীতির টাকা গিয়েছে, সেই টাকা দিয়ে যেখানে সম্পত্তি কেনা হয়েছে, ব্যাঙ্কে যা টাকা রাখা হয়েছে, সেগুলিই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে খবর।
উল্লেখ্য, শাহজাহান ও তাঁর সাগরেদদের বিরুদ্ধে সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতন ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছিল। সন্দেশখালি নিয়ে একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে শেষ কয়েকদিনে। সেই ভিডিওতে দাবী করা হয়েছে, টাকা দিয়ে নাকি ভুয়ো ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ দায়ের করানো হয়েছে (যদিও সেই সমস্ত ভিডিওর কোনও সত্যতা যাচাই করেনি ২৪x৭)। এরই মধ্যে এবার শাহজাহানের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (Enforcement Directorate seized 14 crore of property of Sheikh Shah Jahan)।
বলে রাখি, গত ৫ মার্চ তহবিল তছরুপ প্রতিরোধ আইন বা পিএমএলএ-র (PMLA) আওতায় ইডি শাহজাহানের ১২.৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল। সেই সময় বিবৃতি দিয়ে ইডি জানিয়েছিল,নানান অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ, নানান অস্থাবর সম্পত্তি তৈরি করে লুকিয়ে রেখেছিল শাহজাহান। তার ১৪টি স্থাবর সম্পত্তিরও খোঁজ মিলেছে। এর মধ্যে সন্দেশখালি ও কলকাতায় থাকা শাহজাহানের অ্যাপার্টমেন্ট, কৃষিজমি, মৎস্য চাষের জমি, বসত এলাকার জমি ছাড়াও প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে (Enforcement Directorate seized 14 crore of property of Sheikh Shah Jahan)।






