TMC is accused for not supplying water: একেই গরম তার উপর আবার জলের সঙ্কট। সবমিলিয়ে এলাকাবাসীদের প্রাণ ওষ্ঠাগত। নিয়মিত পানীয় জলের পরিষেবা পাচ্ছেন না এলাকার বাসিন্দারা, এমনটাই অভিযোগ (TMC is accused for not supplying water)। এবার জলের দাবীতে এলাকাবাসীদের সঙ্গে পথে বসে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি বিধায়ক।
ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোলের কুলটিতে। সেখানকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে কুলটি এলাকায় বেশ অনেকগুলি জলের গাড়ি পাঠানো হত। কিন্তু ভোটের পর থেকে মাত্র একটা করে জলের গাড়ি আসছে। এলাকার টাইম কলগুলিতেও আগে প্রায় ১ ঘণ্টা জল আসত কিন্তু এখন সেই জায়গায় মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট জল পাওয়া যায় (TMC is accused for not supplying water)।
এলাকাবাসীদের অভিযোগ, লোকসভা ভোটের পর থেকেই এমনটা হচ্ছে। আর সেই কারণে তারা রাস্তায় ব্যারিকেড রেখে, গাছের ডাল রেখে বিক্ষোভ দেখায় (TMC is accused for not supplying water)। এদিন তাদের সঙ্গে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক অজয় পোদ্দারও। আর এর ফলে আসানসোলে বরাকর জি টি রোডে বেশ যানজটের সৃষ্টি হয়।
এলাকাবাসীদের কথায়, কুলটি বিধানসভা এলাকা থেকে লোকসভা ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা ১৫ হাজার ভোটে পিছিয়ে ছিলেন। সেই কারণেই এমন করছে তৃণমূল (TMC is accused for not supplying water)। এর আগে কুলটি বিধানসভা আসানসোল পুরনিগমের ৬৬ ও ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে এই একই অভিযোগ তুলে পথ অবরোধ করা হয়েছিল।
এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়ক অজয় পোদ্দার বলেন, “জলই জীবন। এলাকার মানুষ জলই পাচ্ছেন না। চারদিকে হাহাকার। সেই মানুষের জন্য রাস্তায় বসতে হয়েছে। এই বিক্ষোভ কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নয়। আগে দিনে চারটে জলের গাড়ি আসত, এখন একটি আসে” (TMC is accused for not supplying water)।
এরপরই পুরসভার বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি বলেন, “এরা পরিকাঠামো তৈরি করতে পারেনি। বাড়িতে বাড়িতে নল বসিয়েছে, কিন্তু জল নেই। এই এলাকায় তৃণমূল হেরেছে তাই জল বন্ধ করে দিয়েছে” (TMC is accused for not supplying water)।
তবে এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আসানসোল পুরসভার মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, “বিজেপি যে অভিযোগ করছে তা ভিত্তিহীন। আসানসোল দক্ষিণেও বিজেপি ভালো ফল করেছে। তাহলে সেখানেও জল বন্ধ করে দেওয়া হত। আসল কারণ, কয়েকদিন যে ঝড়, বৃষ্টি হয়েছে তাতে জলের লাইনে অসুবিধা হয়েছে। তবে ঠিক হয়ে যাবে। আমাদের সরকার ও পুরসভা কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ নিয়ে কাজ করে না। বিজেপি হেরে গিয়ে বিভিন্ন দিন নানান অভিযোগ করবে। এটাই ওদের কাজ”।





