আজ মঙ্গলবার আর জি কর কাণ্ডের (R G Kar Issue) ইস্যুতে ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানের কথা আগে থেকেই বলা ছিল। সেই অভিযানকে কর্ম ক্ষেত্রে সত্যি করে দেখায় ছাত্রসমাজ। মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানকে ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সাথে ছাত্র যুবসমাজের বচসা, খন্ড যুদ্ধ ইত্যাদি দেখা গেল। এরই মধ্যে আরজিকর কান্ডের প্রতিবাদে সরব হলেন তৃণমূলের কৃষ্ণ কল্যাণী (Krishna Kalyani)।
আর জি কর কলেজ ও হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক পড়ুয়ার ভয়াবহ পরিণতি দেখে রীতিমতো শিহরিত হয়ে উঠেছেন দেশের প্রত্যেকটি মানুষ। রাজ্য তথা দেশের প্রত্যেকটি জায়গা থেকে প্রতিমুহূর্তে প্রতিবাদ করা হচ্ছে। মেয়েদের ন্যায় বিচার, তিলোত্তমার ন্যায় বিচার চেয়ে ইতিমধ্যেই পথে নেমেছেন অগণিত মানুষ। চিকিৎসকরা কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন।
ছাত্র যুব সমাজ নবান্ন অভিযান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, রীতিমতো সরব হয়ে উঠেছেন প্রত্যেকেই। এই পরিস্থিতিতে আর জি কর কাণ্ডের সুবিচার না পেলে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন কৃষ্ণ কল্যানী। একই সাথে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে নিশানাও করলেন তিনি।
দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নারকীয় হত্যাকান্ডে একজনের বেশি আর কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। রাজ্য পুলিশের হাত থেকে এই তদন্তভার চলে গেছে সিবিআই এর হাতে। তবু ও এখনও অবধি সকল সত্য প্রকাশ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে সুবিচারের দাবিতে রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী সরব হলেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে তিনি লিখলেন, “আর জি কর ইস্যুতে বিচার যদি না হয় আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি ইস্তফা দেব।” একই সাথে সুবিচারের নামে তৃণমূল বিরোধীরা অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে বলে বিরোধীদের এক হাত নিলেন তিনি।
উল্লেখ্য আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে এর আগে তৃণমূল নেতা শান্তনু সেনও মুখ খুলেছিলেন, দোষীদের শাস্তির দাবির পাশাপাশি আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধেও তিনি মুখ খোলেন। তৃণমূল নেতা সুখেন্দুশেখর রায়ও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন এবং কলকাতা পুলিশকে নিশানা করে একটি পোস্টও করেন।





