সারা দেশ করোনার প্রভাবে বিধ্বস্ত। সংক্রমনরোধে এমনিতেই জারি ছিল লকডাউন যার মেয়াদ আজই শেষ। কিন্তু তাতে লকডাউনের সুফল কমে যেতে পারে আশঙ্কা করেই, দেশজুড়ে আজকেই প্রধানমন্ত্রী লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা করলেন। আজ থেকে শুরু করে ৩রা মে অবধি এই লকডাউন চলবে। প্রশাসন এই লকডাউনকে সফল করতে বেশ কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। এমনকি মানুষকে পরিষেবা প্রদানে সর্বদাই সচেষ্ট সরকার চারিদিকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার, ল্যাব, স্বাস্হ্যকেন্দ্র গড়ে তুলছে।এবার সেই কোয়ারান্টাইন সেন্টার ঘিরেই তুমুল যুদ্ধ বাঁধল আসানসোলে। নববর্ষের দিনই আহত হলেন একাধিক মানুষ।
আসানসোলের জামুড়িয়া থানার চুরুলিয়ায় একটি কোয়ারান্টাইন সেন্টার খোলা হয় দিন চারেক আগে। অভিযোগ, এলাকাবাসী ঐ সেন্টার সেখান থেকে তুলে নেওয়ার দাবি জানান। কিন্তু সেই সেন্টারকে ওখান থেকে সরানো হয়নি। আজ পুলিশ ঐ সেন্টারে যাওয়ার সময় গ্রামবাসীদের সঙ্গে শুরু হয় তর্কাতর্কি। মুহূর্তে পরিস্হিতি রনক্ষেত্র হয়ে ওঠে।
অভিযোগ, পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি, বোমা চালানো হয়। ইট, রড নিয়েও হয় হামলা। রডের আঘাতে পা ভেঙে যায় জামুড়িয়া থানার ওসি সুব্রত ঘোষ-এর। তাঁকে রানিগঞ্জের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইটের ঘায়ে জখম হয়েছেন মহিলা পুলিশ কর্মী সহ আরও অনেকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে পুলিশ। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এতে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়নি কেউ।
নববর্ষের দিনে এমন ঘটনা যেন হতচকিত করেছে সাধারণ মানুষকে। তবে কি কারণে তারা এই সেন্টার সরাতে চাইছেন না? এই সেন্টার তো তাদেরই সুরক্ষা দিতে তৈরি। তবে কি কোনোভাবে এই সেন্টারকে ঘিরে মানুষের মধ্যে সংক্রমনের ভয় তৈরি হয়েছে? প্রশ্ন বিশেষজ্ঞদের।





