দেশ লকডাউন করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যেখানে বিশ্বের অন্যান্য দেশ করোনা সংক্রমণ রুখতে চাইছে সেখানেই উল্টোপথেই হাঁটার সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তান প্রশাসন। করোনা প্রতিরোধে যেখানে বিশ্বের সমস্ত ধর্মীয় স্থান বন্ধ সেখানেই রমজানের নামাজ জামায়েতে পড়ার অনুমতি দিল ইমরান খান সরকার।
শনিবার পাকিস্তানের ধর্মীয় নেতা, বিরোধী দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রসিডেন্ট ড. আরিফ আলভি। সেই বৈঠকেই ঠিক হয়, রমজানের বিশেষ প্রার্থনা জমায়েত করেই হবে। আলভি বলেন, এই নিয়ে ২০ দফার একটি পরিকল্পনা করা হয়েছে। ধর্মীয় ও বিরোধী নেতাদের সঙ্গে কথা বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ৫০ বছরের উর্ধ্বে যাঁদের বয়স তাঁদের এই জামায়েতে যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।
এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে অবশ্য জানানো হয়েছে, ধর্মীয় নেতারা রমজানের প্রার্থনার ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পাশাপাশি সরকারের সব গাইডলাইন মেনে চলার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন। পাকিস্তানের উলেমা কাউন্সিলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে রমজানে তারাবির নামাজে সরকারের সব নির্দেশিকা মেনে চলা হবে।
এর আগে পাকিস্তানে মসজিদে নামাজ পাঠের ওপর যে সব নির্দেশনা আরোপ করেছিল সরকার তার বিরুদ্ধে অন্তত ৫০ জন আলেম সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। পাকিস্তানের বিশিষ্ট ধর্মীয় আলেম ও চেয়ারম্যান রুয়েত-ই-হিলাল কমিটির মুফতি মুনিব উর রহমান মন্তব্য করেছিলেন লকডাউন মসজিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। রমজানে জুমার জামাতে নামাজ ও তারাবিহ করার ব্যবস্থা করা হবে। সেই মন্তব্যই এখন সত্যি হচ্ছে।






