করোনার মধ্যে মানুষের মন এমনিতেই হতাশাগ্রস্ত। তার মাঝে গুরুদ্বারের ২টি গম্বুজ ভেঙে পড়ায় শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ খুবই বিচলিত হয়ে পড়েছেন। ঘটনাটি ঘটে পাকিস্তানের কর্তারপুরে। আচমকাই ভেঙে পড়েছে কর্তারপুর সাহিব গুরুদ্বারের ২টি গম্বুজ। এনিয়ে পাকিস্তান সরকারকে চিঠি লিখে গুরুদ্বারের শীঘ্র মেরামত করার আবেদন জানাল ভারত।
পাকিস্তানকে ভারত লিখেছে, কর্তারপুর সাহিবের প্রতি বিশ্বাস ও শ্রদ্ধাকে সম্মান জানানোর প্রতীক ছিল ওই গম্বুজ। তা আচমকাই ভেঙে পড়ার কারণে অনেক মানুষই এই দুর্দিনে বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওই গম্বুজকে সারিয়ে তোলার অনুরোধ করেছে ভারত।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ে কর্তারপুর সাহিব গুরুদ্বারের ২ গম্বুজ ভেঙে পড়ে। বছরখানেক আগেই তৈরি হয়েছিল ওই গম্বুজ দুটি। কিন্তু কীভাবে হঠাৎই ভেঙে পড়ল তা নিয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।
প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমন রোধে এখন মানুষের যাতায়াত কিংবা কোনো সমাবেশ পুরোপুরি বন্ধ। সংক্রমণের কথা মাথায় রেখেই গত ১৫ মার্চ থেকে কর্তারপুর-এ শিখ তীর্থযাত্রীদের পাকিস্তানে যাওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক ওই সীমানা নিয়ে দু’দেশের মধ্যে লোক চলাচলও বন্ধ করে দেয় ভারত। ফলে ওই অংশের সাথে ভারতীয় শিখ সম্প্রদায়ের সমস্ত সম্পর্কই আপাতত ছিন্ন হয়ে রয়েছে।
২০১৯ সালের ৯ই নভেম্বরে খুলে দেওয়া হয় কর্তারপুর করিডোর। কর্তারপুর সাহিব গুরুদ্বারেই সমাধি দেওয়া হয়েছিল শিখ ধর্মগুরু গুরু নানক-কে। সেই জায়গায় যাওয়ার জন্য একট করিডোর তৈরির দাবি ছিল বহু পুরনো। তা পুরণ হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত সেখানে সেই পুণ্যতীর্থে ভারত থেকে ৪৪,৯৫১ শিখ পুন্যার্থী যেতে পেরেছেন।






