শহরের দমকল কেন্দ্রে এবার করোনা আতঙ্ক। মানিকতলা দমকল কেন্দ্রের ৩২ জন কর্মী গেলেন হোম কোয়ারেন্টাইনে।
মানিকতলা দমকল কেন্দ্রের এক আধিকারিকের স্ত্রী কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে কর্মরতা। দিন কয়েক আগে তিনি আক্রান্ত হন করোনায়। ফলে ওই মহিলার স্বামী দমকল কেন্দ্রে আসতেই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। এমন পরিস্থিতি দাঁড়ায় যে কর্মীরা দমকল কেন্দ্রেই ঢুকতে চাইছিলেন না। তাই বিলম্ব না করে সেখানে কর্মরত ৩২ জন কর্মীকেই হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু বলেন, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই তাঁদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। সোমবারই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু এই অবস্থায় তো দমকল কেন্দ্রটি বন্ধ করে দিলে চলবে না। তাই অন্যান্য কেন্দ্র থেকে কিছু কিছু কর্মী এনে কাজ চালানো হচ্ছে। প্রতিটা কেন্দ্রেই অবলম্বন করা হয়েছে সতর্কতা। কর্মীদের স্যানিটাইজার, মাস্ক, গ্লাভস দেওয়া হচ্ছে।
কর্মীদের অবশ্য দাবি ছিল, কর্মক্ষেত্রেই তাঁদের কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হোক। তাহলে অন্তত পরিবারের সদস্যরা নিরাপদে থাকতে পারবেন। কিন্তু দমকলকে আগের মতোই সচল রাখতে হবে। তাই সেখানে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে সমস্যা হবে কর্মীদের। ফলে শেষমেশ হোম কোয়ারেন্টাইনেই যেতে হয় কর্মীদের।
যতদিন যাচ্ছে, রাজ্যে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। সোমবার বিকেল পর্যন্ত বাংলায় অ্যাকটিভ কেস ২৭৪। মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। এমন পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলায় শহরের বিভিন্ন এলাকা স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দপ্তর সেই ক্ষেত্রে দমকলেরই সাহায্য নিচ্ছে। তাই দমকলকে আরও বেশি সক্রিয় করার জন্য সবরকম তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে।






