শেখ হাসিনা (Seikh Hasina) বাংলাদেশ (Bangladesh) ছাড়ার পর প্রায় শ’খানেক মামলা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। রয়েছে একাধিক খুনের মামলাও। হাসিনার কূটনৈতিক পাসপোর্ট প্রত্যাহার করেছে অন্তর্বর্তী বাংলাদেশ সরকার (Yunus Sarkar)। পাশাপাশি, হাসিনার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড কর্নার নোটিস জারির তোড়জোড়ও শুরু হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের বিভ্রান্তি ছড়াল পড়শি দেশে।
রবিবার বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিস জারি হয়েছে। ইতিমধ্যেই খবরটিকে কেন্দ্র করে জল্পনা তুঙ্গে।
তাজুল ইসলাম জানান, এ সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে বাংলাদেশ পুলিসের শাখা ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো বা এনসিবি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নোটিশ জারির বিষয়ে যে নির্ধারিত ফর্ম আছে তা পূরণ করে একটি চিঠির মাধ্যমে ফরওয়ার্ডিং করে এনসিবি’র কাছে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ হলে মূল বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ পুলিশের একটি শাখা এনসিবি ইন্টারপোলর সব ব্যাপার দেখাশোনা করে। ১৩ নভেম্বর চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয় থেকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির বিষয়ে যে নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে একটি ফরওয়ার্ড করে দিয়েছেন। বাকি দায়িত্ব এনসিবির। রেড নোটিশ জারি প্রসঙ্গে কিছুই বলতে পারবেন না তিনি।
আরও পড়ুনঃ কলকাতার কাছেই সস্তায় নির্জন সমুদ্র সৈকত, সস্তার হোটেল! অল্প খরচায় শীতকালীন ভ্রমণের সেরা খোঁজ
হাসিনাকে ভারত ফেরত নিয়ে যাওয়া নিয়ে চিফ প্রসিকিউট আরও বলেন, এটি রাষ্ট্রের বিষয়। হাসিনাকে ‘অপরাধী’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে হাসিনার প্রত্যর্পণ চুক্তি আছে। সেই চুক্তির অধীনে অপরাধীদের দেশে ফেরানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রের নিতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকারকে ইতিমধ্যেই পুরোটা জানানো হয়েছে। ইউনুস সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে কখন, কীভাবে চাইবেন বা ইতিমধ্যে চেয়েছেন কিনা সেটা সরকার বলতে পারবেন।






