বাম শাসনে নৃশংস ব়্যাগিং! স্কুলছাত্রের আ’ত্মহত্যায় ক্ষোভ, সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা!

দেশজুড়ে একের পর এক স্কুলে ব়্যাগিং এবং সহপাঠীদের নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি অবহেলা এবং সহপাঠীদের হাতে নিপীড়ন এতটাই বাড়ছে যে, এটি কখনও কখনও চরম পরিণতি ডেকে আনে। আত্মহত্যা, অত্যাচারের শিকার হওয়া, এবং বিভিন্ন নির্যাতনের ঘটনাগুলি এখন একাধিক মিডিয়ার শিরোনামে উঠে আসছে। এমনই একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে কেরালায়, যা পুরো দেশের কাছে একটি বড় প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কেরালার কোচি শহরে ১৫ বছরের স্কুল ছাত্র মিহির আহম্মদের আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন তার মা রজনা পিএম। মৃত ছাত্রের মা জানিয়েছেন, তার ছেলে কিছুদিন আগে সহপাঠী এবং সিনিয়রদের অত্যাচারের শিকার হয়েছিল। মিহিরকে মারধর করা, অশ্রাব্য গালিগালাজ করা, এমনকি তাকে টয়লেট সিট চাটতে বাধ্য করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। মিহিরের আত্মহত্যার পর তার মা এই অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে ওঠে।

এই ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং আত্মহত্যার পেছনে ব়্যাগিংয়ের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। মিহিরের মা জানিয়েছেন, তিনি কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং পুলিশ প্রধানকে চিঠি লিখেছেন, যাতে ঘটনাটি তদন্ত করে নিরপেক্ষ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয়। তদন্তে জানা যায়, মিহির স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই ওই চরম পদক্ষেপ নেন।

মিহিরের মা আরও বলেন, তার ছেলে সোসাল মিডিয়া এবং বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, মিহির দীর্ঘদিন ধরে নৃশংস ব়্যাগিংয়ের শিকার হয়েছিল। একাধিক ছাত্র মিহিরকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে অত্যাচার করছিল, যার মধ্যে স্কুল বাসেও ব়্যাগিং করা হত। মিহিরের মা দাবি করেছেন যে, এই অত্যাচারের ঘটনায় এক দল স্কুল ছাত্রের involvement ছিল।

আরও পড়ুনঃ ভক্তের ঠোঁটে চু’মু! উদিত নারায়নের লাইভ শো নিয়ে তোলপাড় দর্শকমহল!

এদিকে, মিহিরের মৃত্যুর পর বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিবাদ এবং নিন্দার ঝড় উঠেছে। সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয়েছে, এবং একাধিক জনপ্রিয় ব্যক্তি, যেমন অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু, এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “২০২৫ সালে এসে এমন ঘটনা ঘটে কি? কিছু মানুষের মনুষ্যত্ব হারানো চরম অপরাধের জন্ম দিচ্ছে।” মিহিরের মা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন যে, তারা এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে।
এছাড়া, কেরালার শিশু সুরক্ষা কমিশন এবং শিক্ষামন্ত্রীও এ ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে ঘটনার প্রকৃত ঘটনা উন্মোচিত হয় এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

Jui Nag

আমি জুই নাগ, পেশায় নিউজ কপি রাইটার, লেখালেখিই আমার প্যাশন। বিনোদন, পলিটিক্স ও সাম্প্রতিক খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরাই আমার লক্ষ্য। তথ্যভিত্তিক ও আকর্ষণীয় কনটেন্টের মাধ্যমে সঠিক সংবাদ পৌঁছে দিই।

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর