রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে রেশন ডিলারদের দুর্নীতির অভিযোগ আসছে বেশ কয়েকদিন ধরে। এবার রাজ্যে রেশন দুর্নীতিকে রাশ টানতে কড়া পদক্ষেপ নিল নবান্ন। গ্রেফতার করা হয়েছে ১৯ রেশন ডিলারকে। এবং শোকজ করা হয়েছে ২৭১ জনকে। ইতিমধ্যেই খাদ্য সচিবের পদ থেকে মনোজ আগরওয়ালকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রথম থেকেই রাজ্য জুড়ে লকডাউনের সময় রেশন ব্যবস্থা নিয়ে দুর্নীতি হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে বিরোধী দলগুলি। বিশেষ করে বিজেপি বারংবার অভিযোগ করে যে বহু জায়গায়, রেশন দোকানের পরিবর্তে তৃণমূলের স্থানীয় কার্যালয় থেকে রেশনের চাল-গম বিলি করা হচ্ছে।
এ নিয়ে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রিসভার বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রীকে সতর্কও করেছেন। রেশন দুর্নীতির পুরোপুরি রাশ টানতে রাজ্যের ২৭১ জন রেশন ডিলারকে শোকজ করা হয়েছে শনিবার। দুর্নীতির অভিযোগে ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ফুড কমিশনারকে তলব করেছেন মুখ্যসচিব।
যেসব জায়গায় রেশন দেওয়া নিয়ে ঝামেলা চলছে, সেসব জায়গায় এখন রেশন দেওয়া হবে না। এই ঘোষণার পরে বিরোধী দলগুলি আরও বেশি ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রেশনে দোকানের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে। রাজ্যের দাবি, এপ্রিল থেকে জুন অবধি তিন মাসের জন্য ৯ লাখ মেট্রিক টন এর পরিবর্তে মাত্র ৩ লাখ মেট্রিক টন চাল পেয়েছে রাজ্য।
রাজ্যে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষার আওতাধীন বেনিফিশিয়ারির সংখ্যা ৬ কোটি ১ লক্ষ। কেন্দ্র ও রাজ্য মিলিয়ে মোট ১০ কেজি করে চাল পাওয়ার কথা। কিন্তু পরিমাণ মত চাল ডাল না পাওয়ায় রেশন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হচ্ছে বলেই অভিযোগ করেছে রাজ্য।






