এই মুহূর্তে ‘প্রতিজ্ঞা’ ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন রণজয় বিষ্ণু। সম্প্রতি সহ-অভিনেত্রী অভিকা মালাকারের সঙ্গে তাঁর পর্দার রসায়ন দর্শকদের নজর কেড়েছে। চলতি বছরই শ্যামৌপ্তির সঙ্গে বিয়ে হওয়ায় অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছিল, বাস্তব জীবনে বিবাহিত হওয়ার পরও কীভাবে এত স্বাভাবিকভাবে প্রেমের দৃশ্যে অভিনয় করেন তিনি। সেই প্রশ্নেরই খোলামেলা উত্তর দিলেন অভিনেতা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রণজয় জানান, একজন অভিনেতার কাছে চরিত্রই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর কথায়, গল্পের প্রয়োজনে যা করতে হবে, তিনি সেটাই করবেন। মজার ছলে তিনি বলেন, প্রয়োজনে কলা গাছ, খাট, বিছানা বা আলমারির সঙ্গেও প্রেম করতে তাঁর আপত্তি নেই। কারণ চরিত্রের দাবি পূরণ করাই একজন শিল্পীর আসল কাজ।
অভিনেতা আরও জানান, অভিনয় করতে গিয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ক কখনও বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। তিনি ‘গুড্ডি’ ধারাবাহিকের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, শুরুর দিকে সহ-অভিনেত্রী শ্যামৌপ্তির সঙ্গে প্রায় কোনও কথাই হতো না। তবুও সেই সময় তাঁদের পর্দার জুটি দর্শকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় হয়েছিল এবং অভিনয়ে তার কোনও প্রভাব পড়েনি।
রণজয়ের মতে, নতুন কোনও চরিত্র হাতে পেলেই তিনি প্রথমে সেই চরিত্রের জীবন, অতীত, মানসিকতা এবং বেড়ে ওঠার পরিবেশ বোঝার চেষ্টা করেন। এরপর ধীরে ধীরে নিজেকে সেই চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে নেন। তাঁর বিশ্বাস, চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হলে অভিনেতাকে সম্পূর্ণভাবে সেই মানুষটির মতো ভাবতে এবং আচরণ করতে হয়।
আরও পড়ুনঃ আজ থেকেই রাজ্যের স্কুলে ইসকনের হাতে মিড ডে মিল! নিরামিষ খাবার ঘিরে বিত*র্কের মাঝেই পড়ুয়াদের পাতে থাকছে আমিষ প্রোটিনও! ইসকনের নিয়মের সঙ্গে কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলো রাজ্য সরকার? আর সপ্তাহে কী কী খাবার পাবে রাজ্যের পড়ুয়ারা?
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসেই চার হাত এক হয় রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তির। অন্যদিকে, সম্প্রতি শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় পরিচালিত ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছে শ্যামৌপ্তির। ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাগত ব্যস্ততা, দুই দিকই এখন সুন্দরভাবে সামলাচ্ছেন এই জনপ্রিয় অভিনেতা।






