রিপাবলিক বাংলা ছাড়ছেন ময়ূখরঞ্জন ঘোষ? এক পোস্টেই জল্পনা তুঙ্গে! উপনির্বাচনের আগে কি রাজনীতির ময়দানে পা রাখছেন পরিচিত সাংবাদিক, নাকি জীবনের একেবারে অন্য পথে পা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি?

রিপাবলিক বাংলার পরিচিত মুখ ময়ুখরঞ্জন ঘোষের চ্যানেল ছাড়ার খবর বুধবার সকালেই কার্যত স্পষ্ট হয়ে যায়। আগের রাত থেকেই তাঁর পদত্যাগ নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হলেও সকালে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, তিনি কি অন্য কোনও সংবাদমাধ্যমে যোগ দিচ্ছেন, নাকি সম্পূর্ণ নতুন কোনও পথে হাঁটতে চলেছেন। তবে রাজনৈতিক মহলে অন্য একটি সম্ভাবনাই এখন বেশি আলোচিত।

দলীয় সূত্রের দাবি, আসন্ন বাংলার উপনির্বাচনকে সামনে রেখেই ময়ুখরঞ্জন ঘোষ সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। শিগগিরই নন্দীগ্রাম, রেজিনগর বিধানসভা এবং বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে পারে। সেই নির্বাচনে তাঁকে বিজেপির প্রার্থী করা হতে পারে বলেই জোর জল্পনা চলছে। যদিও কোন কেন্দ্র থেকে তিনি লড়তে পারেন, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নন্দীগ্রাম থেকে তাঁর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম। কারণ, ওই কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারীর প্রভাব এবং রাজনৈতিক সমীকরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। অন্যদিকে রেজিনগরেও নানা রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে। সেই কারণে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র থেকেই ময়ুখরঞ্জন ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। উদ্বাস্তু পরিবার থেকে উঠে আসা ময়ুখরঞ্জনের সঙ্গে ওই এলাকার ভোটারদের একটি আবেগের যোগও রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্রের দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিক সন্তু পান বিজেপির প্রার্থী হয়ে জয়ী হওয়ার পর থেকেই সক্রিয় রাজনীতিতে আসার ইচ্ছা আরও জোরালো হয় ময়ুখরঞ্জনের। ছাত্রজীবনে তিনি এসএফআইয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও জানা যায়। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার পর এবার সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে নামার সুযোগ পেয়েই তিনি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

আরও পড়ুনঃ আচমকা হাসপাতালে ভর্তি স্বস্তিকা দত্ত! অসুস্থতা ও জীবনের কঠিন লড়াই নিয়ে প্রথমবার খোলামেলা পর্দার ‘বিদ্যা ব্যানার্জি’! কী হয়েছে তাঁর, এখন কেমন আছেন?

এদিকে মঙ্গলবার নিউজরুমে শেষবারের মতো কাজ করার পর ময়ুখরঞ্জন ঘোষ অফিসের একাধিক আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন বলে দাবি করেছেন কয়েকজন কর্মী। তাঁদের বক্তব্য, তিনি অফিসিয়াল ইমেল ব্যবহার বন্ধ করেছেন এবং বিভিন্ন অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকেও বেরিয়ে গিয়েছেন। পাশাপাশি নিজের সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন বলেও সূত্রের দাবি। যদিও এই পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত রিপাবলিক বাংলা বা ময়ুখরঞ্জন ঘোষের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর