প্রায় প্রত্যেক দিনই আক্রান্তের সংখ্যায় রেকর্ড গড়ছে দেশ। ধীরে ধীরে শুরু হয়ে গেছে গোষ্ঠী সংক্রমণও। এমন অবস্থায় দেশজুড়ে শিথিলতা দেওয়া হয়েছে লকডাউনে। আনলক ফেজ ওয়ানে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে আম জনতা, আর তার জেরেই ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের গ্রাফ।
এরই মধ্যে নয়া পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। উপসর্গহীন করোনা আক্রান্তদের নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। অনেকেই উপসর্গহীন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন এবং তাড়াতাড়ি সুস্থও হয়ে যাচ্ছেন। এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের।
সম্প্রতি একটি রিপোর্ট জানিয়েছে, উপসর্গহীন করোনা আক্রান্তদের নিয়ে ওতটাও চিন্তার কারণ নেই। তাই এখন থেকে উপসর্গ না থাকলে আর করোনা পরীক্ষা করা হবে না সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। যেহেতু আক্রান্তদের বড় অংশের উপসর্গ থাকে এবং প্রতিদিন প্রচুর মানুষের টেস্ট করতে হচ্ছে আর তার ফলেই সিদ্ধান্ত।
পরিযায়ী শ্রমিকরা আসার পর আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে বলে দাবি পশ্চিমবঙ্গের। কলকাতা-সহ কোনও কোনও জেলায় তিনগুন বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। পরিস্থিতি এতটাই সঙ্গীন হয়ে উঠেছে যে পরিযায়ী শ্রমিকদের কোয়ারেন্টিন সেন্টারে ১৪ দিন রাখা আর সম্ভব হচ্ছে না। তাঁদের ৭দিন কোয়ারেন্টিন সেন্টারে রাখা হচ্ছে। বাকি সাতদিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। তবে রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত আদৌ যুক্তিযুক্ত? ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিরোধীরা।






