আজ ভোরবেলা হাড়োয়া থানার মুন্সিগিরিতে মাছের ভেড়ি থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অচৈতন্য ওই মহিলাকে উদ্ধার করা হয়। প্রথমে গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীরা এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। এলাকায় পুলিশ প্রশাসন একেবারেই অস্তিত্বহীন বলে জানাচ্ছেন ওই গ্রামের বাসিন্দারা।
গোটা ঘটনায় রাজ্যের বিরোধী শিবির অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এবং এই নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন দলের শীর্ষ নেতা নেত্রীরা। অগ্নিমিত্রা কিছুক্ষণ আগে ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট লিখেছেন যে, এই রাজ্যে কোন আইন শৃঙ্খলা নেই। গণতন্ত্রের নামে প্রহসন চলছে। মুখ্যমন্ত্রী কি মানুষ? নিজে একজন মহিলা হয়ে তাঁর লজ্জা করে না? তৃণমূলের কর্মী ও পৃষ্ঠপোষকদের দ্বারা ধর্ষিত হতে হচ্ছে বাংলার মহিলাদের, এরকমই গুরুতর অভিযোগ করেছেন অগ্নিমিত্রা।
রাজ্যের শাসক শিবিরের অত্যাচারের মাত্রা বেড়েই চলেছে এবং রাজ্যের মহিলারা যে অসুরক্ষিত এ কথা বারবার প্রমাণ করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার বলে দাবি বিরোধীদের। বসিরহাট মহকুমার হাড়োয়া থানার গোপালপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মুন্সিগিরিতে ওই বছর আঠাশের গৃহবধূকে আজ ভোরবেলা থেকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে তাকে এক মাছের ভেড়ি থেকে হাত-পা বাঁধা ও অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
ওই মহিলার বয়ানের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই চারজনের বিরুদ্ধে হাড়োয়া থানাতে গণধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্তরা সবাই কাছাকাছি গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে অভিযুক্তরা সবাই পলাতক। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে গ্রামবাসীরা। পরে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। গোটা এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, একসময় নির্যাতিতার স্বামী এই মেছো ভেড়ির কর্মী ছিলেন। তিনি এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন।






